ক্রাইম ডায়েরী - সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৫

শেরপুরে নিখোঁজের ১১দিন পর কাঠমিস্ত্রির লাশ উদ্ধার

dead body
মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের ১১ দিন পর কাঠ মিস্ত্রি আব্দুস ছামাদ ওরফে ফকির আলীর (২৯) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত আব্দুস ছামাদ ওরফে ফকির আলী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের দক্ষিণ ধানশাইল গ্রামের চাঁন মিস্ত্রির ছেলে। গতকাল শুক্রবার নিহতের বাড়ির পাশের একটি পানির ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। আজ শনিবার দুপুরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইগাতীর দক্ষিণ ধানশাইল গ্রামের তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক আব্দুস ছামাদ ওরফে ফকির আলী ধানশাইল বাজারের বাগেরভিটা রোডে কয়েক বছর ধরে ভাড়া থাকতেন। আসবাবপত্রে নকশা তৈরির কাজ করতেন তিনি। ১১ দিন আগে গত ১ সেপ্টেম্বর হটাৎ নিখোঁজ হন তিনি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নিহতের বাড়ির পাশের ওই ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা। নিহতের বড় ভাই আবুল কালাম মিস্ত্রি ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ভাইয়ের লাশ শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের ভাই আবুল কালাম মিস্ত্রী অভিযোগ বলেন, “আমার ভাই খুব নিরীহ প্রকৃতির ছিল। সে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। কেউ হয়তো কোন কারণে শক্রতা করে তাকে হত্যার পর লাশ ডোবায় ফেলে রাখতে পারে। আমরা ভাই হত্যার বিচার চাই।” ঝিনাইগাতী থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা চাঁন মিস্ত্রি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্যে লাশ শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও পড়ুন