জাতীয় - জানুয়ারি ১৭, ২০১৬

চলতি বছরের বিশ্ব ইজতেমায় দুই পর্বে দুই বিদেশিসহ মোট ১৫ মুসল্লির মৃত্যু

estema

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডেস্কঃ টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের বিশ্ব ইজতেমায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতের দিন পর্যন্ত দুই বিদেশীসহ মোট ১৫জন মুসল্লি মারা গেছে।

জানা গেছে, ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে এক বিদেশিসহ মোট ৬ মুসল্লি ইন্তেকাল করেন এবং এর আগে প্রথম পর্বে এক বিদেশিসহ মারা যান ৯ মুসল্লি।
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বাসসকে ৯ জন মুসল্লির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া বাকী ৬ জনের মৃত্যুর খবর টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক, টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও লাশ ঘর সুত্রে জানা গেছে।
মৃত ১৫ মুসল্লির মধ্যে ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিনে মৃত মুসল্লিরা হলেন- কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাথেরপেটুয়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে নূরুল আলম (৭০)। তিনি রাত পৌনে ১১টার দিকে নিজ খিত্তায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। একই রাতে মারা যান আবদুল মাবুদ জোয়ারর্দার (৫২)। তিনি চুয়াডাঙা সদরের বাদুরতলা এলাকার একরামুল হক জোয়ারর্দারের ছেলে।
নিজ খিত্তায় অসুস্থ হয়ে মারা যান জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ির থানার চর আদরা গ্রামের জাবেদ মোল্লার ছেলে আব্দুল কাদের (৬০) ও আবু তাহের (৪০) তার বাড়ি সিলেটের সুনামগঞ্জের।
ইজতেমা ময়দানে তাদের নামাজে জানাজা শেষে নিজ নিজ এলাকায় মরদেহ পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন লাশের জিম্মাদার মো. আদম আলী।
এদিকে প্রথম পর্বে এক বিদেশীসহ ইজতেমা মাঠে ৯জন মারা যান।
তারা হলেন- ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক পুর্নম সোপান ওরফে সোফা হাজী (৬৫)। সিলেটের মো. আলাউদ্দিন (৭০), নোয়াখালি জেলার সুন্দরপুর গ্রামে আবুল কালাম আজাদ (৬০)।
সিলেটের গোপালগঞ্জ উপজেলার রনকালি এলাকার জয়নাল আবেদীন (৫৫), কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার চকলাপাড় গ্রামের নূরুল ইসলাম (৭২) ও নাটোরের সিংড়া উপজেলার বটিয়া গ্রামের ফরিদ উদ্দিন (৬৫)।
এছাড়া সিরাজগঞ্জের কাজীপুর এলাকার কাসিম উদ্দিনের ছেলে দলিলুর রহমান (৭৫) ও একই জেলার ভেন্নাবাড়ি থানার হরিনারায়নপুর গ্রামের মীর হোসেন আকন্দের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৬০) ও হাফেজ আবু বকর (৬০) ।
তার বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার আলীপুর গ্রামে।


আরও পড়ুন