জার্মানিতে আশ্রয় চাইছেন ৪০ ন্যাটো সেনা কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

ন্যাটোর ৪০ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছে। তারা প্রত্যেকই তুর্কি সেনা এবং এরদোয়ানের বিরুদ্ধে ব্যর্থ অভ্যূত্থানের অংশ ছিলেন। এজন্য তাদেরকে চাকরিচ্যুত করেছে এরদোয়ান প্রশাসন।
শনিবার এমনটাই জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম স্পাইজেল। তবে এখনো ন্যাটো কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল।
গত জুলাই মাসে তুরস্কে সামরিক অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবার পর থেকে জার্মানিতে অনেক বেশি তুর্কি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন৷ ২০১৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই সংখ্যা বেড়ে আড়াই গুণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জার্মান ফুংকে মিডিয়া গোষ্ঠীর খবর অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর অবধি ৪,৪৩৭ জন তুর্কি নাগরিক রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা কিনা গোটা ২০১৫ সালে যত তুর্কি নাগরিক জার্মানিতে অ্যাসাইলাম চেয়েছিলেন, সেই সংখ্যার আড়াই গুণের বেশি৷ ফুংকে’র রিপোর্ট বলছে, জানুয়ারি থেকে জুন অবধি তুরস্ক থেকে অ্যাসাইলামের অ্যাপ্লিকেশন পড়েছে মাসে প্রায় ৩৫০টি, অক্টোবর অবধি তা বেড়ে দাঁড়ায় মাসে প্রায় ৪৮৫ এবং আগামীতে তা আরো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে৷
জার্মানিতে ন্যাটোর যেসব সামরিক ঘাঁটি আছে, সেখানকার অধিকাংশ তুর্কি সামরিক কর্মচারী সরকারের  নির্দেশ সত্ত্বেও আংকারায় ফিরতে অস্বীকার করেছেন।
ডয়চে ভেলের তুর্কি বিভাগের খবর অনুযায়ী, জুলাই মাস যাবৎ প্রায় ৬০ জন তুর্কি কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী তাদের কর্মকাল সমাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও জার্মানিতে রয়ে গেছেন৷ তাদের অনেককে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এমনকি পাসপোর্ট বাতিল করার ঘটনাও ঘটেছে৷ ইতিপূর্বে বার্লিনের তুর্কি দূতাবাসের মিলিটারি অ্যাটাশে তুরস্কে ফিরতে অস্বীকার করেন ও সপরিবারে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। রয়টার্স ও ডয়চে ভেলে
মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/ ২৮ -০১-২০১৭ইং  / মো: হাছিব

আরও পড়ুন

২ Comments

  1. I just want to say I am just very new to weblog and truly enjoyed you’re website. Almost certainly I’m likely to bookmark your blog . You actually have impressive article content. Thanks for sharing with us your web site.

Comments are closed.