ইফতারের ফজিলত!

ইসলাম: রোজা পালনে ইফতারের গুরুত্ব অপরিসীম। আবার সময়মতো ইফতার করার মধ্যেও রয়েছে অশেষ সওয়াব ও কল্যাণ। ইফতারে রয়েছে আল্লাভীতি, নিষ্ঠা, সংযম এবং প্রবৃত্তি দমনের অপূর্ব নিদর্শন।

হজরত রাসূলে কারিম (স) এরশাদ করেছেন, তোমরা ইফতারের সময় হওয়ামাত্র ইফতার করে নাও। এতটুকু বিলম্ব করো না। এ সম্পর্কে তিরমিজি শরীফে উল্লেখ আছে যে, আমি ওই ব্যক্তিকে সর্বাধিক ভালোবাসি যে ইফতারের সময় হওয়ামাত্র ইফতার করে নেয়। আবু দাউদ শরীফে আছে, হযরত রাসূলে পাক (স) যখন ইফতার করতেন, তখন বলতেন, আমার তৃষ্ণা নিবৃত্ত, আমার শিরা উপশিরা সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহপাক পরওয়ারদেগারের পুরস্কার নির্ধারিত হয়ে গেছে।
ইফতারের সময় হালাল দ্রব্য দ্বারা ইফতার করা মহাপুণ্যের কাজ। ইফতারের সময়টি যেমন সুনির্দিষ্ট তেমনি এ সময়ে আল্লাহপাকের কাছে রোজাদার ব্যক্তির দোয়াও কবুল হওয়ার পরম মুহূর্ত। নিজে একাকী ইফতার করার যেমন সওয়াব রয়েছে, তেমনি অন্যদের ইফতার করানোতেও আরো বেশি মাহাত্ম্য, ফজিলত ও পুণ্য আছে। হযরত রায়হাকা (র) থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত রাসূলে পাক (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতারি করাবে, সে এক রোজাদার ও গাজীর তুল্য সওয়াব অর্জন করবে। ইফতারের ফজিলত ও মরতবা সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (স) আরো বলেছেন, রমজান মাসে কোনো রোজাদার ব্যক্তিকে কেউ যদি সামান্য পানি দ্বারা ইফতার করায় আল্লাহপাক রোজ কেয়ামতে তাকে হাওজে কাওসারের পানি পান করাবেন। যাতে তার বেহেশত গমন পর্যন্ত কোনো তৃষ্ণাই অনুভব হবে না।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/৩০মে২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ