সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দু’দিন থাকবে বৃষ্টি

আবহাওয়া রিপোর্ট :

সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী দু’দিনও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। অব্শ্য আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টির পরিমাণ হ্রাস পেতে পারে। একই সঙ্গে দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে জারি করা ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বলবৎ রাখা হয়েছে।

সোমবার সকাল ৯টায় আবহাওয়ার বিশেষ বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারি আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন নিম্নচাপের প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে বৃষ্টিপাত হচ্ছে তা আগামী দু’দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়ার বিশেষ বার্তায় বলা হয়, পশ্চিম-মধ্যবঙ্গেপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সৃষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সকাল ৬ টা থেকে ভোলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপরূপে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বরিশাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে।

এ কারণে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা/ ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়ার সামুদ্রিক পূর্বাভাসে বলা হয়, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালণশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে এবং বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর সমূহকে ৩ নম্বর (পুনঃ) ৩  নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, নিম্নচাপটির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১-২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার সমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১২জুন২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ