“ঈদের হাসি শিশুর মুখে”, এগিয়ে আসতে পারেন আপনিও

আনিস মিয়া : সমাজের বিভিন্ন স্থরে ছড়িয়ে থাকা সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে গাজীপুরে একদল তরুণের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে “শিশুর জন্য আমরা – We are for children ” নামে একটি সংগঠন। ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি।অনেক চড়াই উতরাই পার করে আজ সাফ্যলের সাথ করে যাচ্ছে সেচ্ছাসেবী একদল তরুণ। ইতিমধ্যে বেশ কিছু শিশুকে তার মৌলিক চাহিদার যোগান দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেওয়ার ও অর্জন রয়েছে তাদের।।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই কথা হয় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠতা সভাপতি পারভেজ খান নামে এই তরুণ উদ্যোক্তা বলেন আমাদের মূল উদ্দেশ্য নিরক্ষরতা দূরীকরণ, সুবিধা বঞ্চিতা শিশুদের শিক্ষা অর্জনে সাহয়তা প্রদান করা। এবং শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করা,শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে মানুষকে সচেতন করা। এছাড়াও আমরা শিশুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছি।তাছাড়াও সংগঠনের সেচ্ছাসেবীরা নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযাত সাধ্যের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হয়।সংগঠনটির আর্থিক উৎস জানতে চাইলে তিনি বলেন নিজেদের প্রচেষ্টা ও স্থানীয় কয়েকজন দাতা সদস্য রয়েছেন তাদের এবং তিনি অনেক আন্দের সাথে জানালেন তাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও রয়েছে তাদের কিছু দাতা সদস্য যারা নিয়মিত সহযোগিতা করছেন সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের কে। কথা হয় ফেসবুকের মাধ্যমে একজন দাতা সদস্য নাফিছা তাবাসুম তামান্না’র সাথে তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে অর্নাস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সংগঠনটির সূচনা লঘ্ন থেকেই তাদের কার্যক্রম আমাকে মুগ্ধ করেছে এবং তিনি সংগঠনের সেচ্ছাসেবীদের সাথে যোগাযোগ করে ছোট বোন আনিকা তাবাসসুম তাহসীন ও এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে শিশুদের সাথে দেখা করতে যান কিছুদিন আগে এবং সেখানে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।তার ছোট বোন মন্ধব্য করেন শিশুদের আচরণ আর সুশৃঙ্খলিতাই প্রমাণ করে তারা সুশিক্ষা অর্জন করছে এখানে। তাছাড়া লক্ষ্য করা যায় বিভিন্ন সময় দূর দূরান্ত থেকে অনলাইন ব্যাকিং এর মাধ্যমে পাঠানো আর্থিক সাহায্যের সচ্ছতা নিশ্চিত করে রশিদেরর ব্যবস্থাও করেছেন তারা। শুধু তাই নয় বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও বিশেষ দিবসে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা করেন তারা, এর এই ধারাবাহিকতায় আসছে আগামী ঈদুল ফিতর কে কেন্দ্র করে “ঈদের হাসি শিশুর মুখে – ৫ “নামে একটি কর্ম সূচি গ্রহণ করেছে যেখানে ১০০ শিশুকে ঈদে নতুন জামা সহ ঈদ সামগ্রি দেওয়া হবে যার আনুমানিক বাজেট এক লক্ষ টকা । ইতিমধ্যে একই নামে একটি ইভেন্ট খুলা হয়েছে ফেসবুকে সেখানে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ সাহয্যের বার্তা পাঠানো শুরু করে দিয়েছে এরই মধ্যে এবং প্রতিদিন পাওয়া অর্থের মোট পরিমাণ ও সাহায্যকারীদের নাম প্রকাশ করছে তাদের ইভেন্টে।চাইলে আপনি হতে পারেন ১০০ শিশুর মুখে হাসি ফুটানোর অংশীদার, যোগাযোগ করতে পারেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনটির অফিসিয়াল পেইজ “শিশুর জন্য আমরা – We are for children ” রয়েছে ফেসবুক ভিত্তিক পাবলিক গ্রুপ “শিশুর জন্য আমরা” ছোট ছোট সাহায্যের একত্র করনেই হাসি ফুটবে এই ঈদে এই বিশ্বাস কে সামনে রখেই কাজ করে যাচ্ছে শিশু বান্ধব এই সংগঠনটি।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৭-০৬-২০১৭ইং/ অর্থ 

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.