রোজী নাই রোজগার নাই তাই মেয়ে গুলারে কইছি পরের ঈদে নতুন জামা কাপড় দেব

মন্তোষ চক্রবর্তী, (হাওরাঞ্চল) কিশোরগঞ্জ।। 

রোজী নাই, রোজগার নাই, তাই মেয়ে গুলারে কইছি পরের ঈদের নতুন জামাকাপড় কিনে দেব। এই ভাবে কথাগুলো বললেন হাওর অধ্যষিত কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক মুর্শিদ মিয়া (৪০)।

হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে এবার ঈদোৎসবের আনন্দ অনেকেই ভোগ করতে পারছে না বলে জানা গেছে। প্রকৃতির বিরুপ পরিবেশে জীবন রক্ষাকারি একমাত্র ফসল বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার পর কর্মসংস্থানের অভাবে এই উপজেলার অধিকাংশ মানুষ খাওয়া-পড়ার সংস্থান হারিয়ে ফেলেছে। চাউল সহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বৃদ্ধির ফলে সংকট বেড়েই চলছে। এরি মধ্যে ঈদের আনন্দ। এই আনন্দ মহোৎসবে পরিবারের সকলের প্রয়োজনী উন্নত মানের খাদ্য, কাপড় চোপড় সহ বিভিন্ন সামগ্রী।

নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত বহু পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে বলে একাধিক লোকজনের ভাষ্য। হাতে টাকা নেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ, পরিবারের নতুন কাপড় চোপড় কি করে কিনবে ভেবে পাচ্ছেন না কৃষক মুর্শিদ মিয়া।

তিনি জানান, সুদের উপর বিশ হাজার টাকা এনে এক একর জমি করেছিল। কিন্তু ফসল তলিয়ে যাওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে। তিন মেয়ের জামাকাপড় কেনার সার্মথ্যও নেই কৃষক মুর্শিদ মিয়ার। অভিযোগ করে বলেন, সরকারি কোন ত্রাণ ও তার কপালে জুটলো না।

বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে, এই ধরনের অসংখ্য পরিবার রয়েছে।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২৪-০৬-২০১৭ইং/ অর্থ 

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ