জ্বর-ঠোসা সমাধান!

স্বাস্থ্য রিপোর্ট :

সময়টা এখন ভাইরাস জ্বরের। কম বেশি সব বাসাতেই জ্বরে ভুগছেন কেউ না কেউ। চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বরতো সেরে গেছে কিন্তু রয়ে গেছে জ্বর-ঠোসা। জ্বর-ঠোসা হলে মুখে ছোট্ট ফুসকুড়ি ওঠে, যা অনেক সময় ফেটে যায় ও লাল দেখায়। প্রচণ্ড ব্যথার সঙ্গে বেশ অস্বস্তিকর এই জ্বর-ঠোসা। তাই জেনে নিন জ্বর-ঠোসা উঠলে কী করণীয়।

জ্বর-ঠোসা এমনিতেই সেরে যাবে তাই চিন্তার কিছু নেই। তবে ব্যথা কমাতে এক টুকরো বরফ ঠোসার উপর ঘষে নিন। সেই সঙ্গে দ্রুত শুকিয়ে যাওয়ার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে ভেসলিন জাতীয় পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে ঘুমান।

যাদের জ্বর ঠোসার দাগ পড়েছে তারা দাগের উপর লেবুর রস লাগাতে পারেন। সেনসিটিভ ত্বক হলে লেবুর রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পানি মিশিয়ে নিবেন। সব থেকে ভাল হয় ঠোসা শুকানোর আগে থেকেই এলোভেরা লাগালে। এতে যেমন ঠোসার চুলকানি কমবে তেমনি ঠোসা শুকিয়ে যাওয়ার পর দাগ পড়তে দিবে না।

মনে রাখবেন নখ দিয়ে জ্বর-ঠোসা খুটতে নেই। এতে করে হাতের মাধ্যমে ভাইরাস চোখসহ অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে যেতে পারে।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০৪জুলাই২০১৭ইং/নোমান

Leave A Reply

Your email address will not be published.