কুলিয়ারচরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৪

বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে জায়গা – সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহত হয়েছে ৪জন।

আজ ১৬ জুলাই রোববার সকালে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের নোওয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে ।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রোববার সকালে নোওয়াগাঁও গ্রামের মৃত দেওয়ান আলীর পুত্র হানিফ মিয়া (৪৫), আঙ্গুর মিয়া (৪০), বাচ্চু মিয়া (৩০), মৃত আরমান আলীর পুত্র আব্দুল্লাহ (৫০) দলবল সহ দেশীয় অস্ত্রাদী নিয়ে একই গ্রামের মৃত লিল মামুদের পুত্র মোঃ কামাল উদ্দিন (মিষ্টু)’র বাড়ীতে হামলা করে তার নির্মানাধীন একটি পাকা ঘরসহ বসত ঘর ও দোকানঘর ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষতি করে। এ সময় হামলাকারীরা মিষ্টুর ঘরে থাকা ফ্রিজ, টেলিভিশন ,সেলাই মেশিন, সর্ণালংকার সহ নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। বাধাঁ দিতে গেলে প্রতিপক্ষের হামলায় কামাল উদ্দিন মিষ্টুর স্ত্রী গুলে জান্নাত (৩৩), রফিকুল ইসলাম (৫০),আরশ মিয়া ( ২৬) ও আহম্মদ আলী (৬২) আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুলে জান্নাত ও রফিকুল ইসলাম কে পার্শ্ববর্তী বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। আরশ মিয়াকে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে ও আহম্মদ আলী প্রথামিক চিকিৎসা নিয়েছে।

 

কামাল উদ্দিন মিষ্টু জানান, এর আগে প্রতিপক্ষ প্রকাশ্যে তাঁর বাড়ীঘর ভাংচুর সহ ক্ষতি করার হুমকি দেওয়ায় সে গত ১১ জুলাই কুলিয়ারচর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন। ডায়েরী নং- ৪৭৮। থানায় ডায়েরী করার পর আজ রোববার এ হামলা,ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলা,ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আহম্মদ আলী বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করে। আজ বিকেলে কুলিয়ারচর থানার এস আই আব্দুর রহমান ও এ এস আই মিজানুর রহমান ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।

গুলে জান্নাতের ভাই এ্যাডভোকেট মোঃ আয়ুব আলী অভিযোগ করে বলেন, রহশ্যজনক কারনে পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিতে গড়িমুশি করছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মকবুল হোসেন মোল্লার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাননি বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৬জুলাই২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Leave A Reply

Your email address will not be published.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ