কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবর ব্রান্ডের প্রতিবেদন

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট ।।

কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে একটি বেসরকারী সংস্থা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে একটি নাতিদীর্ঘ প্রতিবেদনও দিয়েছে।

ব্যান্ড বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জের বিভাগীয় সমন্বয়ক মো.গোলাম দস্তগীর স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে সরেজমিন পরিদর্শন ওু সেবার মানোন্নয়ন ও পরামর্শ প্রদান করে এ প্রতিবেদনটি তৈরী করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ভবন সম্প্রসারণ ও শয্যা বাড়ানো, দালালদের দৌরাত্ব বন্ধে প্রয়োজনে পুলিশী সহযোগিতা, জরুরী বিভাগের ইনচার্জ সহকারী নার্স মো.আব্দুস সালাম ভুইয়ার অর্থনৈতিক দুর্নীতি বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা, সুষ্ঠু চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুবিধার্থে ও দুর্নীতি বন্ধে জরুরী বিভাগের কক্ষের পুর্ব পার্শ্বে বর্তমান অপারেশন থিয়েটারটি কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় আনা,জরুরী বিভাগে আগত দূর্ঘটনা ও মারামারি সংক্রান্ত রোগী ভর্তির মেডিক্যাল সার্টিফিকেট তথ্য গ্রহণ ও লিপিবদ্ধকরণ,রেজিষ্টার একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে জরুরী বিভাগে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, এডিস মশার কামড়ে চিকনগুনিয়া, ডেঙ্গু ও ম্যলেরিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সুচিকিৎসার স্বার্থে আলাদা একটি ওয়ার্ড ও সচেতনতামুলক প্রচার, প্রকাশ এবং উপজেলা হাসপাতালের সাথে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা,কিশোরগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রর অপারেশন থিয়েটার সম্প্রসারণ ও একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দানের ব্যবস্থা করা,পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে প্রচার ও প্রকাশ বৃদ্ধি করা,চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রম বিদ্যমান আইনের আওতায় আনা জরুরী ও তদারকী করা,ওষুধ প্রশাসন নিয়ন্ত্রিত ড্রাগ লাইসেন্স ও ওষুধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান আইনের আওতায় আনা ও তদারকী করা।

প্রতিবেদনে ১২টি সুপারিশ সমুহ যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক ও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এ প্রতিবেদনটির অনুলিপি জেলা প্রশাসনসহ সিভিল সার্জন বরাবরেও দিয়েছেন।

সিভিল সার্জন ডা.মো.হাবিবুর রহমান বলেন, এ জাতীয় কোন প্রতিবেদন আমি পায়নি। হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। হাসপাতালে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রশ্নই আসে না।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/৩০-জুলাই২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ