যে বিষয় গুলো বিচ্ছেদের আগে ভাবতে হবে!

লাইফ স্টাইল রিপোর্ট :

সম্পর্কটা হোক প্রেম কিংবা বিবাহিত, এটা ভেঙে যাওয়া কখনই কাম্য নয়। সম্পর্ক রক্ষার জন্য দুই পক্ষরই সচেতন ও সহনশীল থাকা জরুরি। প্রতিদিন গোটা বিশ্বের অসংখ্য সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে। অনেকে চিন্তা-ভাবনা করেই মানুষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে থাকেন। হয়তো ভেতরটা তছনছ হচ্ছে, তবুও ভালোর কথা বিবেচনা করেই সম্পর্ক ভাঙছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত বলেই মনে হয়। কিন্তু কোথাও বড় ধরনের ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা হয়তো ঘটছে। কিংবা বিচ্ছেদের আগে বেশ কয়েকটি বিষয় হয়তো বিবেচনায় আনা হচ্ছে না। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। ধারণা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. ভেবে দেখুন, আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী কতটুকু অশান্তির কারণ হয়ে উঠছেন? আরো অশান্তি ছেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কি রয়েছে? এই মুহূর্তে যা অসহ্য বলে মনে হচ্ছে, কিছু দিন গেলেই হয়তো তা স্বাভাবিক উপলব্ধি হবে। স্রেফ এই কারণগুলোই কি বিচ্ছেদের জন্য যথেষ্ট বলে মনে হয়? গভীরভাবে ভেবে দেখুন।

২. এখানে দুজনেরই কিংবা কোনো একজনের ভুলের মাত্রা অনেক বেশি। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক করে ফেলার সুযোগ সব সময়ই রয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ইতিবাচক অবস্থাগুলো কি বিবেচনায় আনা যায় না?

৩. আগের সঙ্গী-সঙ্গিনী কিংবা সম্পর্কের বিষয়গুলো বর্তমানের ওপর টেনে আনার মতো ভুল এড়িয়ে চলতে হবে। অতীতের কারণে বর্তমানকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে কি কোনো লাভ হবে?

৪. পরস্পরের প্রতি কিছুটা হলেও মায়া নিশ্চয়ই কাজ করে। এটা বাড়াতে আরেকটু প্রচেষ্টা চালান।

৫. আপনারদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা আর একে অপরকে কাছে পাওয়ার ইচ্ছা কতটুকু অবশিষ্ট রয়েছে। আপনাদের মধ্যে একজন বা উভয়ই কি অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে গড়ার প্রয়াস চালাচ্ছেন?

৬. দুজন মিলে নতুনভাবে একটা আলোচনা শুরু করুন। সেখানে কেউ কাউকে দোষ দেবেন না। কেবল নিজেদের ভুল বের করার চেষ্টা করবেন। তার পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরার চেষ্টা করুন।

৭. প্রত্যেকেই নিজেদের প্রশ্ন করুন। এতদিন ধরে যার সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন তাকে ছাড়া কি ভালো থাকবেন? আপনারা একে অপরের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে কি মানিয়ে নিতে পারবেন?  সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/৩০-জুলাই২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ