ডিমলায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী কৌশলে অপহরণ

মোঃ জাহিদুল ইসলাম, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

ডিমলায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী কৌশলে অপহরণ। অপহৃত ছাত্রী ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ৬ নং ব্লকের মতিয়ার রহমানের মেয়ে মোছাঃ রূপালি আক্তার (৮), মাতাঃ মোছা:তহমিনা বেগম। সে পাশ্ববর্তী উত্তর ভাবুনচুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ রূপালীর চাচাতো ভাই মোঃ ময়নুল হক (১৮), পিতাঃ মোঃ মফিজার রহমান গত ১ বছর আগে একই গ্রামের ১০-১২ জনের একটি দল কাজ করার উদ্যেশে বগুড়ায় যায়। সেখানে কাজ করার এক পর্যায়ে মোঃ মাহাবুল (২৫), নামের ছেলের সঙ্গে উভয়ের পরিচয় হয়। অতপর উক্ত দলের মধ্যে ময়নুল হকের সাথে মাহাবুলের বন্ধুত্ব গভীরে পৌছায়। কিন্তু চাল বাজ মাহাবুল ময়নুলের পূর্নাঙ্গ পরিচয় নিলেও তার পরিচয়ের ব্যাপারে নিজের নাম ছাড়া তার পিতা-মাতা ও গ্রামের ঠিকানা আত্ম গাপন করে। বন্ধুত্বের খাতিরে আর কিছু জিগাসা না করে এভাবেই চলে আসছে তাদের মোবাইল ফোনে কথোপকথন।

এরপর গত ১ আগষ্ট ময়নুল কাজ করার জন্য বগুড়ায় থাকলেও তার পিতার কাছ থেকে গ্রামের ঠিকানা নিয়ে মাহাবুল তার স্ত্রী মোছাঃ নুর নেহার কে নিয়ে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। সেখানে ৩ দিন অস্থানের পর বৃহস্পতিবার বাড়ী চলে যায়।

বাড়ী থেকে গত ৪ আগষ্ট শুক্রবার পূনরায় মাহাবুল বন্ধুর বাড়িতে আসে। বাড়ীর সবার সাথে স্বাক্ষাৎকারের পর রূপালির কথা জিগাস করলে রূপালির দাদীমা বলেন রূপালী তার চাচী মোছাঃ মর্জিনার সাথে তার বাবার বাড়ী গেছে। এ সময় সে কৌশলে মর্জিনার স্বাক্ষী মোঃ সফিকুলের কাছ থেকে মর্জিনার মোবাইল নম্বর নিয়ে সেখানে চয়ে যান। যানা গেছে মর্জিনার বাবার লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার কিসাত ধওলাই ৪ নং ব্লকে। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মর্জিনার সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি প্রতিবেদক কে বলে শুক্রবার আনুমানিক বিকাল ৫.০০ টার দিকে আমাদের বাড়ীতে এসেছে এবং আমাকে বলে চাচি আমি রূপালি কে নিয়ে মিষ্টি আনতে যাচ্ছি।

এই কথা বলে সেই যে, গেল এখন পর্যন্ত তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় রূপালির চাচা মোঃ মফিজার রহমান বাদী হয়ে হাতিবান্ধা থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০৫-আগস্ট২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.