জলঢাকায় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভুয়া শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে বিভাগীয় তদন্ত

মোস্তাকিম বিল্লাহ, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

নীলফামারীর জলঢাকায় সদ্য জাতীয়করনকৃত একটি প্রাথমকি বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষককে বাদ দিয়ে ভুয়া শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে মন্ত্রানলয়ের নির্দেশে বিভাগীয় তদন্ত করলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক মাহবুব এলাহি। গতকাল রবিবার সকালে সরেজমিনে তদন্ত করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের যাবতীয় কাগজপত্র দেখেন এবং পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি, প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বলেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় ধাপে জাতীয়করনকৃত জলঢাকা পৌরসভা কলেজিয়েট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অঞ্জলী রানী রায় প্রতিষ্ঠাকালিন সময় থেকে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৫ইং সালে মৃত্যু বরন করেন। ২০১৩ ইং সালে সরকার বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোকে জাতীয়করন ঘোষনা দিলে জেলা যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে অঞ্জলী রানী রায়ের নাম খসড়া ও চুড়ান্ত গেজেটে প্রকাশ পায়। কিন্তু চুড়ান্ত গেজেটে অঞ্জলী রানীর নাম প্রকাশ পেলেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহাজাহান ও ওই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আবেদ আলী যোগ-সাজোস করে ভুয়া কাগজ পত্র তৈরী করে জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যাক্তিকে নিয়োগ দিয়ে, অঞ্জলী রানীর পাওনা বিল আটক করে গেজেট সংশোধনীর জন্য মন্ত্রানালয়ে কাগজ প্রেরন করেন।

মন্ত্রানালয় বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালককে সরেজমিন তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্তের বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক মাহবুব এলাহি বলেন,“মন্ত্রানালয়ের নির্দেশে সরেজমিন তদন্তে এসেছি,কাগজপত্র দেখলাম,সবার সাথে কথা বলেছি আরো কিছু কাগজপত্র দেখে তদন্ত রির্পোট দাখিল করব।”

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০৭-আগস্ট২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ