যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে

Muktijoddhar Kantho , Muktijoddhar Kantho
আগস্ট ১২, ২০১৭ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :

মার্কিন সেনাবাহিনী বরাবরই দাবি করে আসছে, ইরান কিংবা উত্তর কোরিয়া তাদের দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালে তা শনাক্ত করে ধ্বংস করে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তাদের। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, পরীক্ষামূলকভাবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা সফল হলেও বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে যে তা একই রকম ফলাফল দেবে, তা নাও হতে পারে।

কোটি কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে সফল হবেই, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা তা মানতে নারাজ। ওয়াশিংটন-পিয়ংইয়ং উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন উচ্চারণ করা হলো এ হুঁশিয়ারি।

এর আগে পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে। এ সব পরীক্ষার সময় যুদ্ধের প্রকৃত পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোল হয়নি বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে,বার্তা সংস্থা রয়টার্স। অথচ মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ১৮ বছর ধরে গবেষণা এবং এ ব্যবস্থা তৈরিতে ৪০০০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে।

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থা বা এমডিএ গত মে মাসে ১৮ দফা পরীক্ষা চালিয়ে ১০ বার সফল হয়েছে। আমেরিকাকে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয় গ্রাউন্ড-বেজড মিডকোর্স ডিফেন্স বা জিএমডি নামের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। জিএমডির জন্য চালানো এ পরীক্ষা সঠিক ভাবে করা হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

এ পরীক্ষায় উত্তর কোরিয়ার হুমকির বিষয়টি সঠিক ভাবে প্রতিফলিত হয়নি। পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেয়ার যে সব পদ্ধতি গ্রহণ করা হয় তা সঠিক ভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ক্ষেপণান্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার নিশ্চিত সফলতা কখনও দাবি করা যায় না। তারা মনে করেন, এটা বন্দুক থেকে ছোড়া একটা গুলিকে গুলি করে প্রতিরোধ করার মতো বিষয়।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১২-আগস্ট২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.