এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ

শিক্ষা রিপোর্ট :

দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অনেকের ফল পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা।

এমনকি ফেল থেকে জিপিএ-৫ পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া ফল পুনঃনিরীক্ষণের ফলে ফেল করা অনেকে পাস করেছে।

মঙ্গলবার বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২৪ জন। ফেল থেকে পাস করেছেন ১৬৯ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ১ হাজার ৪৫ জনের।

এবার ঢাকা বোর্ডে এইচএসসির মোট ৪৭ হাজার ২২৭ জন পরীক্ষার্থী ১৩টি বিষয়ে তাদের ১ লাখ ৩৩ হাজার ২১১টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন।

যশোর বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যশোর বোর্ডে ২৫ হাজার ৭৭০ বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন গ্রেডে ১১৬ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৮ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৪ জন। এছাড়াও ফেল করা এক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বোর্ড সূত্র জানায়, ১৪ হাজার ৯৪৯ জন পরীক্ষার্থী মোট ৪৭ হাজার ৭৯০টি বিষয়ে আবেদন করেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৫৯ জনের। ফেল থেকে পাস করেছেন ৫০ জন। এ বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৩ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিলো ২৩ হাজার ২৭ জন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ১২৩ জনের। ফেল থেকে পাস করেছেন ৩০ জন। এছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২১ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে মোট ২৩৩ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে পাস করেছেন ৮৩ জন। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৫৯ জন।

সিলেট বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে ৩৯ জনের। ফেল থেকে পাস করেছেন ১৩ জন এবং নতুন জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ৩ জন।

অন্যদিকে, এবার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭ হাজার ২৭৯ জন আবেদনকারী মোট ১৪ হাজার ৮৫৭টি বিষয়ে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছেন ১০৪ জন। বিভিন্ন পর্যায়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে ১৭৩ জনের। এছাড়াও নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৮ জন।

গত ২৩ জুলাই সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এবার পাসের হার কমে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশে নেমে আসে। এ নিয়ে পরীক্ষার্থীদের অনেকের মধ্যে অসন্তোষ। পরে ১০টি বোর্ডের অধীনে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী ৩ লাখ বিষয়ে নম্বর পরিবর্তনে পুনঃনিরীক্ষরণের জন্য আবেদন করেন।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২২-আগস্ট২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.