কটিয়াদীতে চরঝাকালিয়া স্বর্নিভরে গরু ছাগলের বিরাট হাট

মোঃ ছিদ্দিক মিয়া, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি ।।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া স্বর্নিভর নামক স্থানে এক বিরাট গরুর ছাগলের হাট বসেছে।যদিও এই কোরবানির পশুর হাটটি এখনো অস্থায়ী। তবু আজ হাটের ২য় দিন শুক্রবার ছিল ১ম দিন বসেছে এবং মঙ্গলবার বসবে কটিয়াদী উপজেলার চরঝাকালিয়া স্বর্নিভর বাজার মাঠে। আগ্রহী অনেকেই পশুর দরদাম জানতে সুযোগ পেলেই ছুটছেন কটিয়াদী উপজেলার চরঝাকালিয়া স্বর্নিভর অস্থায়ী হাটে। বিপুল উৎসাহ নিয়ে পুরো হাট ঘুরে গরু-ছাগল দেখছিলেন ক্রেতারা।অবশেষে ক্রেতা সিরাজ উদ্দিন ৬০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনে বাড়িতে যান। হাটে পশু আসতে শুরু করেছে। ক্রেতা থাকলেও বেচাকেনা কম। অনেকে এসেছেন মূলতবাজার ঘুরে দেখতে। রবিবার বেলা দুইটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত হাটে ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

হাট থেকে সদ্য গরু ক্রেতা সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘বাসায় গরু রাখার জায়গা আছে। আর বাচ্চারা অনেক উত্তেজিত কেনার জন্য। তাই কয়েক দিন আগেই কিনে ফেললাম।’

চরপুক্ষিয়া থেকে ৫টি গরু নিয়ে  চরঝাকালিয়া স্বর্নিভর গরুর হাটে এসেছেন গরু বিক্রেতা কাজল মিয়া। সব নিজের পালা গরু, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরুটির দাম হেঁকেছেন আশি হাজার টাকা। হাটের মূল হাসিল কাউন্টারের পাশেই রাখা গরুটি দেখার জন্য ভিড় করেছেন লোকজন। কাজল মিয়া বলেন, ‘বেচাবিক্রি হবে ঈদের দু-তিন দিন আগে। এখন যারাই আসে, ঘুরে দাম জেনে চলে যায়। কেনার কাস্টমার (ক্রেতা) কম, তাছাড়া এবার বাজারে ব্যাপক পরিমানে ভারতীয় গরু আসার কারনে দেশীয় গরুর দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় বিক্রেতারা লোকসান গুনছে।’

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন ক্রেতা বললেন, ‘এখনই কিনব না। কয়েকদিনের গরুর দাম যাচাই করে কেমন গরু আসে দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেব।’ হাটে দল বেঁধে ঘুরতে দেখা গেছে উঠতি বয়সী কিশোরদের। ঘুরে ঘুরে কোরবানির পশু দেখে আর দাম শুনেই তারা খুশি।

বাজার কর্তৃপক্ষ জানান কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে জাল টাকার চক্র বছরের অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। জাল টাকা শনাক্ত করতে এবার হাট বিভিন্ন স্থানে জাল নোট শনাক্তকরণ যন্ত্র বসিয়েছে। সন্দেহ হলেই নোট পরীক্ষা করাতে এবং অপরিচিত লোকের কাছ থেকে কিছু না খাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ বারবার মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে।

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/২৭-০৮-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments are closed.