“কেবল গরু কিংবা উট অথবা ছাগলই নয়, আরো কিছু কোরবানি করতে হবে” : অধ্যক্ষ শরীফ সাদী

ডেস্ক রিপোর্ট ।। হযরত ইব্রাহীম (আ:) খোদার সন্তুষ্টির জন্যই তার প্রিয় পুত্রকে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। পুত্র ইসমাইলও নিজকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। ইতোমধ্যে নিয়ত কবুল। কোরবানি হয়ে গেলো এক পশু। সেই থেকে আমরা মুসলমানরা উট/দুম্বা/গরু/ছাগল/মহিষ কোরবানি দিই।

আমাদের কোরবানির উদ্দেশ্য কী? খোদার সন্তুষ্টি? না-কি অন্যকিছু?
আমরা কি আমাদের অন্ধ আবেগ কিংবা অন্ধ প্রেমকে কোরবানি করতে পারি?
আমরা কি পারি আমাদের কুপ্রবৃত্তি কিংবা অসৎ বাসনাকে কোরবানি করতে? অবৈধ কামাই’র বাসনা, অন্যের স্থাবর/অস্থাবর সম্পদ গ্রাস করার কামনা কোরবানি করতে পারি?
মিনা’য় শয়তানকে পাথর মারার সময় স্মরণে থাকে তো নিজের মনের শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে হত্যা করতে?

সকল হাজী এ কথা স্মরণে রাখেন না, রাখেন না বলেই দেখা যায় হজ্ব সম্পন্ন করে এসে কেউ কেউ লেগে যান পুরোনো নেতিবাচক কর্মে। কালো পাথরে চুমু খেয়ে পাপমুক্ত শ্বেত-শুভ্র পরিচ্ছন্ন হয়ে ফিরে আসা মানুষটি আবার লেগে যান অপকর্মে।

তাহলে ফায়দা কী এই হজ্বে?

 

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/০১-০৯-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ