সেনাবাহিনীতে চাকুরির নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বগুড়া জেলা প্রতিবেদক : বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে চাকুরির মিথ্যা প্রলোভনে ও ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাওড়াখালী গ্রামের আব্দুল লতিফ নামের এক প্রতারকের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের হাওড়াখালী গ্রামের মাছুদ রানাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ভ্যাটেনারী চিকিৎসক প্রতারক আব্দুল লতিফ। ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে বরাবরই সটকে যাচ্ছে এই প্রতারক।

বিষয়টি থানা পুলিশকে বারবার অবহিত করা সত্বেও প্রতারক আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে আজতক পর্যন্ত কোনো ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি পুলিশ। ফলে বরাবরের মতোই চাকুরির মিথ্যা প্রলোভনে দেদারছে প্রতারনা করে চলেছে আব্দুল লতিফ। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতের জন্য বিভিন্ন মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

প্রতারনার শিকার মাছুদ রানা জানান- সেনাবাহীনিতে চাকুরি দেয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ৬ লাখ নিয়েছে প্রতারক আব্দুল লতিফ। বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে গত ৪ মাস আগে আমাদের গ্রামের বেশকয়েক জনকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। মাছুদ রানা, রিয়েল, রাবিন আহম্মেদ, বিশাল মাহমুদ ও রাশিয়ান সহ বেশকয়েক জনের কাছ থেকে টাকা গ্রহন এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে প্রতারক লতিফ।

ভুক্তভোগীরা জানান- তারা নদী ভাঙ্গা এলাকার মানুষ। চাকুরির জন্য নিজেদের সর্বস্ব বিক্রি করে ও সুদের উপর টাকা নিয়ে প্রতারক আব্দুল লতিফকে তারা টাকা দিয়েছেন। প্রতারনার শিকার ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চায়।

ভুয়া নিয়োগপত্র ও অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নিশ্চিত করে কামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেদায়েদুল ইসলাম বলেন, আমি এই ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। নিয়োগপত্র পাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা যখন বুঝতে পারে এইটা ভুয়া, তখন বিষয়টি আমাকে জানায়।

সারিয়াকান্দি থানার ওসি (তদন্ত) এনায়েতুর রহমান বলেন, এবিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments are closed.