১৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা হেফাজতের

ডেস্ক রিপোর্ট : মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন ও গণহত্যা বন্ধের দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী শুক্রবার দেশের সব মসজিদ থেকে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও।

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এই ঘোষণা দিয়েছেন । শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত নেতারা এই কর্মসূচির কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুনায়েদ বাবু নগরী বলেন, ‘১৯৭১ সালে মিয়ানমারের মুসলিমরা বাংলাদেশিদের আরাকানে আশ্রয় দিয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে দলিলের তৃতীয় খণ্ডে এই তথ্য রয়েছে উল্লেখ করে বাবুনগরী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে হিন্দুদের কাছে লাখ লাখ মুসলমান আশ্রয় পেয়েছিল। তাহলে আজকে কেনো আমরা মুসলমান হয়ে মুসলিম ভাইদের আশ্রয় দিতে পারি না? আজকের দুরাবস্থায় মানবিক কারণে আমরা কেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারি না। মিয়ানমারের মুসলমানরা সন্ত্রাসী নয়। তাদের আশ্রয় দেওয়া আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। মিয়ানমারের মুসলমানরা নিরাশ্রয়। একটি পলিথিন পেপার, একটু খাবার, একটু পানি নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।

বাবুনগরী সবাইকে যার যার সাধ্য অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

বাবুনগরী বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী শুক্রবার দেশের সব মসজিদ থেকে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও এবং ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ এবং ওআইসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা। মিয়ানমারে এমন গণহত্যা অব্যাহত থাকলে আল্লামা শফীর নেতৃত্বে লংমার্চ কর্মসূচিও ঘোষণা করা হতে পারে বলে হেফাজত নেতারা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, নায়েবে আমির আল্লামা তাজুল ইসলাম, আল্লামা লোকমান হাকিম, মহিউদ্দিন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক আল্লামা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ