যশোর (শার্শা)-১ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে কেন্দ্রে লবিং তদবির

এবিএস রনি, শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর (শার্শা)-১ আসনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি এবং অন্যন্য রাজনৈতিক দলের একাধিক সাম্ভাব্য প্রার্থী কেন্দ্রর সবুজ সংকেতের আশায় জোর লবিং তদবীরে ব্যস্ত সময় পার করছে। এ ছাড়া দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে গনসংযোগ ও চালিয়ে যাচ্ছেন।সাম্ভাব্য প্রার্থীরা দর্শনীয় স্থানে দলীয় প্রধানের এবং স্থানীয় নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ফেষ্টুন পোষ্টার এবং তোরন নির্মান করে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। দেশের দক্ষিন পশ্চিম সীমান্ত
আসন শার্শা-১ আসনের জন্য বর্তমান সংসদ সহ নতুন মুখ ও ছুটাছুটি করছে, কেন্দ্রে জোর লবিং করছে মনোনায়নের জন্য।

সাবেক জেলা পর্যায়ের অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মাবুদ সাহেব যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেশ শ্রেষ্ট বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন , ও গুজব রয়েছে শার্শা বেনাপোলের বিভিন্ন দল পরিবর্তন কারী সুবিধা ভোগি ডিগবাজি খাওয়া নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু। বর্তমান সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন মনে করে শার্শার শত ভাগ উন্নয়নের দাবিদার তিনি। তিনিই এ আসন থেকে আবার ও আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনায়ন পাবেন।

নতুন মনোনায়ন প্রত্যাশি সাবেক জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এলাকায় কখনো বিচারন করতে দেখা যায়নি। সাধারন ভোটাররা ও তাকে জানে চেনে না বলে অনেকে মন্তব্য করেন। বিশেষ সুত্র মতে জানা যাচ্ছে তিনিই যে কোন ভাবে মনোনায়ন পাবেন এ আসনে। অপরদিকে দেশ বরেন্য শ্রেষ্ট তরুন বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও এ আসন থেকে মনোনায়নের জন্য জোর লবিং করছে বলে জানা গেছে। তিনি মনে করেন শার্শা বেনাপোল এর মাটিতে তার জন্ম এবং তিনিই স্বাধিনতার ৪৫ বছরের ভিতর মাত্র ৬ বছরে যে উন্নয়ন করেছেন তা কোন নেতা করতে পারে নাই। তাই জাতিয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনায়ন দিলে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হবেন এবং বেনাপোলের মত শার্শার উন্নয়ন করতে পারবে।

অপরদিকে বিএনপি প্রার্থীর তেমন নাম গন্ধ শোনা না গেলে ও মফিকুল হাসান তৃপ্তি আশাবাদ ব্যাক্ত করছে তাকে নির্বাচনের আগে বিএনপিতে দলীয় প্রধান ফিরে নিবে। এবং তিনিই শার্শার একমাত্র বিএনপির দলীয় প্রার্র্থী হওয়ার যোগ্য। জাতীয় পার্টি থেকে এ আসনে মনোনায়ন প্রত্যাশি অভিনেত্রী শাবনুরের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে তার এলাকায় রাজনীতিতে পরিচিতি নাই। জামাতের তেমন কোন নাম গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে না কে হবে আগামি জাতীয় সংসদের প্রার্থী।সাধারন ভোটাররা মনে করেন আওয়ামীলীগের আভ্যান্তরিন কোন্দল মিটিয়ে একক প্রার্থী নির্বাচন করবে সে এ আসন থেকে নিশ্চিত জয়লাভ করবে। আভ্যান্তরীন কোন্দলের কারনে যদি কোন বিদ্রোহী প্রার্থী অংশ গ্রহন করেন তা হলে বিএনপির প্রার্থী এ আসন থেকে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করেন।

তবে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেশকরা বলেন যদি বিএনপি মফিকুল হাসান তুপ্তিকে দলে ফিরিয়ে নেয় আর সে যদি নির্বাচনে অংশ নেয় তার কাছে অন্য কোন দলের প্রার্থী পাত্তা পাবে না।

সাধারন ভোটারদের একটি অংশ মনে করেন আওয়ামীলীগের তরুন নেতা আশরাফুল আলম লিটন যদি এ আসন থেকে মনোনায়ন পায় সেই হবে আগামি একাদশ জাতিয় সংসদের সদস্য। আবার সাধারন জনগনের একটি অংশ তাদের মতামত ব্যাক্ত করে বলেন বর্তমান এমপি শেখ আফিল উদ্দিন কৃষিতে বিশাল ভুমিকা রাখার জন্য তিন বার বঙ্গবন্ধু জাতীয় পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন।

এ ছাড়া তিনি শার্শাা বেনাপোলের ৫ হাজার নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তাই তার বিকল্প কোন প্রার্থীকে এখানে মনোনায়ন দিবে না
সেই মনোয়ান পাবে। বর্তমান শার্শার রাজনিতীতে ব্যাপক আলোচনা সমোলচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। চায়ের ষ্টলে পথে ঘাটে ভোটাররা প্রার্থীদের বিগত দিনের কর্মকান্ড নিয়ে করছে চুল চেরা বিশ্লেষন। হিসাব নিকাশ করছে বিগত দিনের কার্যক্রম নিয়ে। ভোটারদের একটি অংশ রাস্তা ঘাট উন্নয়ন সহ অনেক কিছু নিয়ে ভাবছে তাদের ব্যাক্তি স্বার্থর কিছু চাওয়া পাওয়া নাই। তাদের দরকার এলাকার কৃষি খাতের ফসল মোকামে উঠানো। আর তার জন্য প্রয়োজন ভালো রাস্তার। এ ছাড়া জাকের পার্টির, এলডিপির, জাসদের তেমন কোন প্রার্থী না দেখা গেলে ও আবার কেউ চুলকানিতে জানান দিচ্ছে তারা হবে আগামী একাদশ জাতিয় সংসদের প্রার্থী।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৩-সেপ্টেম্বর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.