হোসেনপুরে জি আর এর চাল বিতরনে অনিয়ম : প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা

আকিব হৃদয়, স্টাফ রিপোর্টারঃ কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নে জি আর এর চাল বিতরনে অনিয়ম পাওয়া গিয়েছে। সিদলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন এর বিরুদ্ধে অনিয়মের এ অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

সিদলা ইউনিয়নের সাহেবের চরের ভুক্তভোগী সখিনা খাতুন জানান, জি আর এর চাল আনার জন্য তিনি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলেন কিন্তু সেখানকার লোকজন সখিনা খাতুনকে বলে হোসেনপুর দেওয়ানগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত চেয়ারম্যান এর নিজস্ব চেম্বারে যেতে ওখানে জি আর এর চাল বিতরন করা হবে। এ কথা শুনে সবাই ওখানে গেলে তারা দেখতে পায় ২০ কেজির চালের জায়গায় ১৩ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে তারা তৎক্ষনাত প্রতিবাদ করেও চেয়ারম্যানের লোকজনের সামনে পরাস্ত হয়েছেন।

পরে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বিষয়টি জানতে পেরে চেয়ারম্যানকে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে তার চেম্বারে গেলে সেখানে থাকা চেয়ারম্যান এর লোকজন এবং অবস্থানরত ইউপি মেম্বার ছাত্রলীগ নেতার উপর হামলা চালায় এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ নেতা আহাদুল এর কর্মীরা ছুটে এলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে চাল বিতরন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় চেয়ারম্যান এবং ছাত্রলীগ নেতা আহাদুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এর রেশ ধরে ওই রাতেই আহাদুল এর নামে হোসেনপুর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে সিদলা ইউনিয়রের চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন কে বার বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

পরে আজ ১৪/০৯/২০১৭ ছাত্রলীগ নেতা আহাদুল এর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবী জানিয়েছে হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগ। এতে বক্তৃতা করেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ ফখরুল ইসলাম, ফরহাদ আহমেদ টিটুল, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আকিব হৃদয় সহ হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগের মোঃ রায়হান, বাবুল রিপন সহ হোসেনপুর কলেজ ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

পরে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বরাবর হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আহাদুল এর মিথ্যা মামলা যেন প্রত্যাহার করে নেয়া হয় সেজন্য একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানবন্ধনে বক্তারা মামলা তুলে না নিলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচীতে যাওয়ার ও হুমকি দেন।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৪-০৯-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ