কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের সভাপতি নিয়ে বিভ্রান্তি!

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ॥ কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের সভাপতি পদ নিয়ে উপজেলার সর্বস্তরে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের সভাপতি কে ?

১৯৭৮ সালে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে কুলিয়ারচর প্রেসক্লাব গঠিত হয়। প্রেসক্লাব গঠিত হওয়ার পর পদাধিকার বলে এসডিও প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এসডিও পদটি বিলুপ্তি হওয়ার পর প্রেসক্লাবের বর্তমান সহ-সভাপতি অনুনোমোদিত এক গঠনতন্ত্রের দোহায় দিয়ে পদাধিকার বলে জেলা প্রশাসককে সভাপতি পদে নির্বাচিত করে ৩ বছর অন্তর অন্তর অবৈধ ভাবে প্রেসক্লাবের পকেট কমিটি গঠন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর ও ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর গঠনকৃত প্রেসক্লাবের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী জেলা প্রশাসককে সভাপতি নির্বাচিত করে মো. রফিক উদ্দিন সহ-সভাপতি, মো. জাহিদুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও মো. রফিকুল বাহারকে যুগ্ম-সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।

উক্ত কমিটিতে জেলা প্রশাসককে সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হলেও তাঁকে কখনো অবগত করানো হয়নি। মো. রফিক উদ্দিন সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বে থাকলেও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, প্রেসক্লাবের কাগজপত্র, চিঠি ও বিভিন্ন সংবাদ পত্রে সভাপতি হিসেবে প্রচার প্রচারণা করে প্রতারণা করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে আসছে। গত মাসের প্রথম দিকে প্রেসক্লাবে রহস্যজনক চুরির ঘটনার পর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. রফিক উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির নানান তথ্য বেরিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ড. উর্মি বিনতে সালাম বলেন, লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপরদিকে জেলা প্রশাসক মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে আছি বিষয়টি আমার জানা নেই।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২০-০৯-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ