রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়ার প্রধান কারণ কূটনৈতিক ব্যর্থতা : বিএনপি

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ,
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৭ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব ছাড়াই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্ক শেষ হওয়াকে সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে বিএনপি।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জাতিসংঘের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হওয়ার প্রধান কারণ কূটনৈতিক ব্যর্থতা। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সারা বিশ্ব সোচ্চার হলেও বর্তমান সরকারের ভূমিকা নতজানু।’

তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ওপর নির্বিচারে গণহত্যা, নির্যাতন চালানো হলেও জাতিসংঘসহ প্রতিবেশী প্রভাবশালী দেশগুলোকে পাশে নিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কারণ একটাই- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলে তাদের কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে এমন সংকট ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে বিএনপি সফলতার সাথে মোকাবিলা করেছিল। বর্তমান সংকটেও বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানানো হলেও তারা বিএনপির আহ্বানে সাড়া না দিয়ে একপক্ষ নীতি অবলম্বন করছে। অথচ সরকার এই জাতীয়  সংকটের কোনো সুরাহা করতে পারছে না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত, বিশ্ব মানবতার বাতিঘর, ওবায়দুল কাদেরের এ মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘তার হাস্যকর এমন মন্তব্যে গোটা জাতি লজ্জা পেয়েছে। সারা দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করে অশান্তির বীজ বপন করে শান্তির দূত হওয়া যায় কি না সে প্রশ্ন চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে।’

বিএনপি সমর্থক হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকেই নিজ এলাকায় নির্বিঘ্নে উৎসব পালন করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের গ্রামের বাড়িতে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে জনতা যোগ দিতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এই সরকারের আমলেই দেশের জনগণ সাম্প্রদায়িক সংঘাতের কথা আবারও নতুন করে শুনেছে।

Comments are closed.