নবমীতে জেলার আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এডিসি জেনারেল

সজল রহমান, কিশোরগঞ্জ থেকে ।। একজন অসাম্প্রদায়িক, মুক্তমনা, প্রগতিশীল, আধুনিক চেতনার মানুষ তিনি। তিনি আমাদের কিশোরগঞ্জ এর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও উপসচিব তরফদার মোঃ আক্তার জামীল।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ থেকে দেবীর বোধন এর মাধ্যমে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও তিনি দুর্গাপূজা নিয়ে কাজ করছেন আরও একমাস আগে থেকে- একেবারে প্রতিমা নির্মাণের শুরু থেকেই। দুর্গাপূজা উপলক্ষে যখন প্রতিমা গড়ার কাজ নিয়ে ব্যস্ত শিল্পীরা তখন তিনি শহরের বিভিন্ন পূজামন্ডপে গিয়ে সেগুলোর নির্মাণ কাজ পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রতিমা, সংরক্ষণ এবং দেখভাল এর বিষয়ে পূজামন্ডপের কমিটির সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন। কমিটির সদস্য ও সেচ্ছাসেবকদের করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ‍দিয়েছেন।

গত কয়েকদিনের ন্যায় আজও তিনি শহর ও শহরতলীর আরও বেশ কিছু পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে শোলাকিয়া দাস পাড়া পূজারী সংঘ, শোলাকিয়া গোপাল জিওর আখড়া, সতাল অগ্রগামী সংঘ, সিদ্বেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দির, যশোদল বীরদাম পাড়া ‍সুবোধ চন্দ্র দাস মহাশয়ের বাড়ীর পূজামন্ডপ, শ্রী শ্রী গোপীণাথ জিওর আখড়া, রামকৃষ্ণ মিশন, জাগ্রত সংঘ, গঙ্গাসাধন সরকারের বাসভবনের পূজামন্ডপ, গৌরাঙ্গ বাজার পূজামন্ডপ উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, মন্দির পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু মাখন চন্দ্র দেবনাথ, গোপীণাথ জিওর আখড়ার সভাপতি বাবু মাণিক রঞ্জন দে, গৌরাঙ্গ বাজার পূজামন্ডপ এর সভাপতি বাবু পীযুষ কান্তি সরকার, সিদ্বেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দিরের সহ-সভাপতি দীপক চন্দ্র দে, সতাল অগ্রগামী সংঘের সভাপতি বিনয় বিহারী সেন, রামকৃò মিশনের সভাপতি বাবু অনিল চন্দ্র পন্ডিত সহ হিন্দুধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ।

 

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ডটকম/৩০-০৯-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments are closed.