নীলফামারী-৩ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুল আলম কবির

মোস্তাকিম বিল্লাহ, জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা নীলফামারী-৩ আসনের জলঢাকা আংশিক কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সদস্য ও গোলনা ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবির (পান কবির) ইউনিয়নের দুই-দুই বারের সফল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন নেতাদের কাছে দৌড় ঝাপ শুরু করেছেন। এরশাদ সরকারের পতনের পর গত ১৯৯১ সালে নীলফামারী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পান প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দীতা করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনেও একই ভাবে পান প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দীতা করেন। এরপর থেকেই তিনি জনগণের কাছে পান কবির নামে পরিচিত লাভ করেন। তিনি জননেন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে জনসম্মুখে ১৯৯৯ সালে আওয়ামীলীগে যোগদান করেন। তারপর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০০৯ সালে জনসমর্থন নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদেও অংশ গ্রহণ করেন। তিনি দিনরাত নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নিরলস ভাবে মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচ্ছেন। উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় ও আলোচনা সভাও করে যাচ্ছেন। তিনি নিজ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

মিডিয়া কর্মীদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে গোলনা ইউনিয়ন পরিষদের দুই-দুই বারের সফল চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণনের সেবা করে যাচ্ছি। এই সেবা আমি জলঢাকা উপজেলা ও আংশিক কিশোরগঞ্জ উপজেলাও দিতে চাই। সেজন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমানে গোলনা ইউনিয়ন থেকে জুয়ামুক্ত, মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ সহ অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করেছি।

তিনি আরও বলেন বর্তমান সরকারের জননেন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্তাভাজন হয়ে দলের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি এবং ভবিৎষতে চালিয়ে যাবো এ আশাবাদী। জননেন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্ভীক সৈনিক ও গোলনা ইউনিয়ন বাসীর এবং মাটি ও মানুষের বলিষ্ঠ কন্ঠেস্বর তারুন্যের প্রতীক হিসেবে খ্যাতি।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/০৯অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ