মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ পরিবারের মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ রিপোর্ট ।। অদ্য রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউজের হল রুমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এর সাথে মতবিনময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কিশোরগঞ্জ থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় জাতীয় অনলাইন সংবাদপত্র মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন আহমদ (নিঝুম), স্টাফ রিপোর্টার শফিক কবীর, স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আশরাফ আলী, সাংবাদিক আলী রেজা সুমনসহ পরিবারের অন্যান্য সাংবাদিক বৃন্দ।

সাক্ষাতকালে উপস্থিত ছিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব সম্পদ বড়ুয়া, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট জিল্লুর রহমান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক আজিমুদ্দিন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও উপসচিব তরফদার মোঃ আক্তার জামীল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা বৃন্দ।

মতবিনিময় সভায় মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক মহামান্য রাষ্ট্রপতির দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি কিশোরগঞ্জের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং নিজ জন্মভূমির মানুষের প্রতি তার ভালোবাসার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি এখন বন্দী জীবন পার করছি। আমি যখন রাষ্ট্রপতি থাকবো না তখন আমি আবার আপনাদের কাছে ফিরে আসবো। আমি চাইলেও যখন খুশি আপনাদের দেখতে আসতে পারিনা। আমাকে এখন অনেক নিয়মের ভিতর থাকতে হয়। আপনারা কিশোরগঞ্জের মানুষ, আমার নিজের মানুষ। যদি আপনারা কোন কাজে ঢাকায় যান তাহলে বঙ্গভবনে গিয়ে অবশ্যই আমার সাথে দেখা করে আসবেন। আপনাদের প্রতি আমার পক্ষ থেকে চা খাওয়ার দাওয়াত রইলো।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতের বালাটে মইলাম নামক স্থানে তৎকালীন মুজিব বাহিনীর সাব সেক্টর কমান্ডার, বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিক্রুটিং ক্যাম্পে শত শত মুক্তিযোদ্ধা ভারতে ট্রেনিং এর জন্য রিক্রুট করেন। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিছার আহমদ এর সরবরাহকৃত মহামান্যের সেই সৃতি বিজড়িত স্থানের দুর্লভ ছবি ভাটি শার্দূল আবদুল হামিদ প্রামান্য গ্রন্থের ৪৭৯ পৃষ্ঠায় ছাপা হয়।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১১-১০-২০১৭ইং/ অর্থ

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ