বগুড়ায় পাসপোর্ট করতে এসে ৩ রোহিঙ্গা পুলিশ হেফাজতে

বগুড়া, জেলা প্রতিবেদক : পাসপোর্ট করার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বগুড়ায় এসেছে শিশুসহ তিন রোহিঙ্গা। পুলিশ তাদেরকে আটক করে থানা হেফাজতে রেখেছে। বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া সদর থানা পুলিশ শহরের সাতমাথা থেকে শিশু সন্তান সহ এক নারী রোহিঙ্গাকে আটক করে। এরআগে বুধবার বিকেলে বগুড়া পাসপোর্ট অফিস থেকে হাজেরা নামের এক রোহিঙ্গা নারীকে আটক করা হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, হাজেরা নামের রোহিঙ্গা নারী বুধবার বিকেলে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ফরমের উপর বাংলায় শুধু হাজেরা লিখে পাসপোর্ট করার জন্য জমা দিলে অফিসের কজনের সন্দেহ হয়। এসময় তারা পুলিশে খবর দেয়। বগুড়া সদর থানার পুলিশ তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করে। তবে হাজেরা কোন কথাই বলেনি। সে নিজেকে বোবা হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করে। পুলিশ তার কাছে জাতীয় পরিচয় পত্র চাইলে, সে আকারে ইঙ্গিতে জানায় তার জাতীয় পরিচয় পত্র নেই। একপর্যায়ে পুলিশ নিশ্চিত হয় সে রোহিঙ্গা। ২২ বছর বয়সী বিবাহিত এই মহিলার একটি সন্তান রয়েছে। পুলিশ তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। পরে হাজেরার মা আমেনা এবং ওসমান গনি নামে হাজেরার সন্তানকে বগুড়া শহরের সাতমাথা থেকে আটক করে তাদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

আটককৃতরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে বলেছে, তারা পাসপোর্ট করার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বগুড়ায় এসেছে। তারা জেলার দুপচাঁচিয়া থেকে একটি ভুয়া জন্মসনদ সংগ্রহ করেছে। দুপচাঁচিয়ার জনৈক এক দালাল তাদেরকে পাসপোর্ট করে দেওয়ার জন্য বগুড়ায় নিয়ে আসে। তবে সেই দাললের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা। পুলিশ তাকে ধরার চেষ্টা করছে। বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১২-অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.