পাকুন্দিয়ার ইলিয়াস শরবত বিক্রি করে চলায় ছয় সদস্যের পরিবার

Muktijoddhar Kantho , Muktijoddhar Kantho
অক্টোবর ১৩, ২০১৭ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ

শাহরিয়া হৃদয়, পাকুন্দিয়ার (কিশোরগঞ্জ)।। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার তারাকান্দি বাজার। বাজারে প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত শত শত পিপাসু মানুষের প্রান জোরায় ইলিয়াসের শরবতে। উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের চরটেকি গ্রামের মোঃ মুন্তাজ আলীর ছেলে ইলিয়াস।ছয় সদস্যের সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ইলিয়াছ মিয়া। তার পিতা কৃষিকাজ করেন। ইলিয়াছের উপার্জনের টাকা দিয়ে তাদের সংসার চলে। তার সংসারে মা, বাবা, স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

ঠান্ডা পানি, তোকমা, ইছবগুল, হালিমদানা, আপেল, চেরিফল, খেজুর, রুহ আফজার মিশ্রণে তৈরি হয় ইলিয়াছের স্পেশাল শরবত। মফস্বলের বাজার হলেও ইলিয়াছের শরবতের দোকান খুবই ফিটফাটে। নিজেও খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। সবসময় মুখে লেগে থাকে একচিলতে হাসি। ৩টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ২৫০ থেকে ৩০০ গ্লাস শরবত বিক্রি করেন ইলিয়াছ। ইতোমধ্যে তার স্পেশাল শরবতের কথা ছড়িয়ে গেছে সর্বত্র। আশপাশের অনেক এলাকা থেকে শরবত পান করতে চলে আসেন অনেকে।

তারাকান্দি বাজারের মিষ্টি ব্যাসায়ী আসাদুজ্জমান বাদল বলেন,প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসে এই শরবত খাওয়ার জন্য। আমাদেও ও খুব ভাল লাগে এই শরবত।

পল্লি ডাক্তার মোঃ খুকন মিয়া জানান , এ শরবত খুবই স্পেশাল। বিভিন্ন ফলের মিশ্রনে এটি তৈরি করা হয়। যা শরীরের জন্য অনেক উপকারি। গরমে ক্লান্তিভাব দূর করতে এখানে শরবত খেতে চলে আসি।

ইলিয়াছ জানান, ৬-৭ বছর ধরে শরবত বিক্রি করছেন তিনি। তবে বছরের নয় মাস তিনি শরবত বিক্রি করেন আর তিন মাস তারাকান্দি বাজারেই জিলাপির ব্যবসা করেন।

 

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৩-অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.