ভৈরবে সবজি বাজারে দাম চড়া : সাধারন ক্রেতারা হতাশ

সজীব আহমেদ,ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।। কিশোরগঞ্জ ভৈরবে সকল কাচাঁ বাজারে অস্বাভাবিক বেড়েছে সবজির দাম। এদিকে, সবজির দাম বাড়ার জন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মৌসুমী সবজির সরবরাহ কম থাকাকে দায়ী করছেন অনেক ব্যবসায়ী। এতে কারসাজির অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ। এ সপ্তাহেও সবজি ভেদে কেজিতে দাম বেড়েছে ১৫ টাকা পর্যন্ত। তবে স্থিতিশীল রয়েছে নিত্যপণ্যের দাম। আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মসুর ডালের মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজারে বেড়েই চলছে সবজির দাম। গত দুই সপ্তাহে তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এভাবে সবজির দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতারা। দ্রুত বাজার তদারকি করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভৈরবের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে এসে পণ্যের দাম দেওয়া হল- ভৈরবের ফেরীঘাট বাজার,মনামরা ব্রীজবাজার,গাছতলা ঘাট বাজার,রাণী বাজার,জগন্নাথপুর বাজার,ও বটতলা রোড বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ১০০থেকে ১২০ টাকা, সাদা গোলাকার বেগুন ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকায়, কাচাঁমরিচ ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায়, টমেটো ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়, গাজর ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, শশা ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, করলা ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, ঝিঙ্গা ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায়, পটল ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, কাকরুল ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকায়, ঢেঁড়স ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায়, পেঁপে ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায়, দুন্দল ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, কচুর ছড়ি ২৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায়, লতি ৫০ টাকা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিটি বড় লাউ ৪০ টাকায় এবং ছোট লাউ ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ছোট কুমড়া ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা এবং বড় কুমড়া ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়িদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। জগন্নাথপুর বাজারের কাঁচাপণ্যের ব্যবসায়ি মোঃ রাসেল জানান, পাইকারী বাজারের দাম খুব চড়া ,তাই আমাদেরও বেচাকেনা খুব খারাপ। যখন পণ্যের দাম কম ছিল তখন যেমন আমদানি করতাম তেমনি বিক্রি করতাম।

মনামরা বাজারে সবজি ক্রেতা আমির হামজা জানান তরকারী বাজারের তরকারীর দাম আমাদের নাগালের বাহিরে চলে গেছে। তাই আমাদের মত সাধারন মানুষ তরকারী কিনতে হিমসিম খাচ্ছি।

 

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৩-অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments

comments

You might also like More from author

Comments are closed.

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ