অষ্টগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

Muktijoddhar Kantho , Muktijoddhar Kantho
অক্টোবর ২১, ২০১৭ ২:০১ অপরাহ্ণ

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : হাওড় বেষ্টিত অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ কিশোর কুমার ধরের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছারিতা ও অশালীন আচরনের অসংখ্য রোগী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই শ্বাসকষ্ট জনিত ২শিশুর পিতা ডাঃ কিশোর কুমার ধরের স্বেচ্ছারিতা ও অশালীন আচরনের প্রতিকার চেয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন বরাবর গত ১২/১০/২০১৭ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ করে। জাতীয় সংসদ কিশোরগঞ্জ-৪ ও মহা-পরিচালক অবহিত করে। প্রায় ৩ বছর আগে ডাক্তার কিশোর কুমার ধর অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করে। কিছুদিন রোগীদের সাথে ভাল ব্যবহার করলে ও পরে তার রুপটি পাল্টে যায়। তিনি সপ্তাহে ২ দিন হাসপাতালে থাকলে বাকি ৫দিন অনর্থে প্রাইভেট রোগী নিয়ে ব্যস্থ থাকে বলে অংখ্য লোকের ভাষ্য। যে ২দিন অষ্টগ্রাম হাসপাতালে থাকেন সরকারী কোয়াটারে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রোগী প্রতি ২০০ টাকা ভিজিট নিয়ে রোগী দেখে বলে জানা যায়।

হাসপাতালে ভর্তি করা রোগী এমনকি ১/২দিন ভর্তিকৃত জটিল রোগীরাও তার দেখা পায়না বলে অসংখ্য রোগীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিপন্নকৃত হাসপাতালের কোন রোগী বা তার লোকজন তার বাসায় গিয়ে রোগীর দেখার আবেদন করলে তিনি অগ্নিশর্মা হয়ে অশালীন আচরন করে। এছাড়াও বহু রোগী ও রোগীর লোকজনকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকী সহ অশালীন আচরন করে বলে
জানা যায়।

এইসব আচরন থেকে সরকারী স্কুলের শিক্ষক এলাকার গন্যমান্য লোকজন রেহায় পাইনি বলে জানা গেছে। গত ১০ই অক্টোবর অফিস চলাকালীন সময়ে বিশিষ্ট পরিবারের সন্তান ও সমাজকর্মী মনিরুল ইসলাম সাদত তার ২ ছেলে স্বাস্থ্য ও জ্বরে কাতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় এবং রেফারেল স্লীপের টাকা জমা দিয়ে স্লীপ সহ মেডিকেল অফিসার কিশোর কুমার ধরকে রোগী দেখার জন্য বারবার অনুরোধ করে, কিন্তু রোগী না দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে মনিরুল ইসলামকে অশালীন আচরন ও গালিগালাজ করে এবং পুলিশে নিয়ে ধরিয়ে দিবে বলে হুমকী প্রদান করে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মেডিকেল অফিসার ডাঃ কিশোর কুমার ধর জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান রোগী নিয়ে আসার পর আমি নিয়মিত রোগী দেখার চেষ্টা করছি। অভিযোগকারী ক্ষমতার অপব্যবহার সহ অশালীন আচরনের কারণে আমি পুলিশ ডাকব বলে ছিলাম। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২১-অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.