জ্যামে পরে শত বছর পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, উত্তরণের পথ কি?

তানভীর আহমেদ তনয়, কিশোরগঞ্জ সদর।। “সময় এবং নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করেনা” যে সকালটা কাল হারিয়ে গেছে, ওটা কি আদৌ ফিরে পাবো? ঘড়ির কাটা যদি পিছনের দিকে ঘুড়ত, বিকাল থেকে দুপুর আর দুপুর থেকে সকাল হতো…. তাহলে হয়তো হয়ত বৃদ্ধ মানুষ গুলো যৌবন ফিরে পেত, ঢাবি ভর্তি পরিক্ষায় ফেইল করা ছাত্রটা আবার নিজেকে ঝালাই করে ঢাবি তে চান্স নিত, কৃষক শ্রমিক সবাই কর্মচঞ্চলতা ফিরে পেয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতো।

কথা গুলো যদিও বাস্তব নয়, তবুও চিন্তাগুলো বাস্তব। সবাই এমনটাই চায়, কারন এ যুগে চলে যাওয়া প্রতিটি সেকেন্ডের হিসাব করে অর্থ দিয়ে। মনে হয় যেন আরেকটু সময় বেশি পেলে আরেকটু কাজ বেশি করা যেত, আর কিছু টাকা মানিব্যাগে ডুকানো যেত।

হ্যাঁ, এভাবেই চলছে আমাদের জীবনযাত্রা। কিভাবে আমরা সাফল্যে স্বর্নশিখরে পৌঁছব সেই পরিকল্পনায় ব্যকুল। কিন্তু জ্যাম নামক সময়খেকো এ বস্তুটা আমাদের বার বারর পিছিয়ে দিচ্ছে। জীবন থেকে কেড়ে নিচ্ছে আমাদের গুরুত্বপূর্ন ফিরে না পাওয়া সময়গুলো। এই সময়গুলো যদি আমরা কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে জ্যামে ভূক্তভোগী মানুষগুলো কতটুকু কাজ করতে পেত, আর দেশের অর্থনীতি কোন পথে যেত।

এবার উন্নত দেশগুলোর দিকে থাকান, তারা এমন কি মূলমন্ত্র অনুসরন করেছে যে জন্যে তারা উন্নতির উচ্চশিখরে অবস্থান করছে? সেটা কি সময়ের সঠিকক ব্যবহার নয়?

হ্যাঁ, সময়ের সঠিক ব্যাবহার। আমরাও যদি তা করতে পারি, আমাদের উন্নত রাষ্ট্র ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্টা সময়ের ব্যবধানে হয়ে যাবে। গতকাল কিশোরঞ্জ থেকে এয়ারপোর্ট আসতে সময় লেগেছে ৬ঘন্টা। অর্থাৎ শুধু আমিই নয়, এভাবে প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষের হাজার হাজার ঘন্টা সময় হারিয়ে যাচ্ছে এ সময়খেকো জ্যামে পড়ে।

তাহলে যদি অন্যান্য বিশ্বের ন্যায় মিনিট/সেকেন্ড হিসাবে অর্থ দিয়ে এ সময়টা হিসাব করি, তাহলে ভাবুন তো আমরা প্রতিনিয়ত কতশত বছর সময় পিছিয়ে যাচ্ছি…….।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/২৪-অক্টোবর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.