বৃদ্ধাশ্রমে অসহায় মায়েদের পাশে দেশ পলিটেকনিক কলেজ

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ,
নভেম্বর ৯, ২০১৭ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

মৌমিতা তাসরিন তানজিনা, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ।। বৃদ্ধাশ্রম নামটি কেনো জানি শুনতে ইচ্ছে হয় না। এক ভয়াবহ হাহাকার তৈরি করে মনের ভিতরে, যে মা ১০ মাস ১০ দিন সন্তান কে গর্ভ ধারন করে তাকে আদর যত্নে লালন পালন করে, আদর যত্নে বড় করে। সেই সন্তান কি করে মাকে বৃদ্ধাশ্রম এ রেখে আসতে পারে? ধিক্কার জানাই সেই সব সন্তানদের।

আমরা “দেশ পলিটেকনিক কলেজ এর কম্পিউটার ১ম সেমিস্টার ৫ ম এবং ৭ম সেমিস্টার এর কিছু ভাইয়া এবং কিছু শিক্ষক গিয়েছিলাম সেই অসহায় মায়েদের দেখতে, তাদের সাথে কিছু মানবিক আর ভালোবাসাময় আনন্দ পু্র্ণ সময় কাটাতে। তাদের সকালের নাস্তা দুপুরের খাবার বেশ কিছু ওষুধ ও ওর স্যালাইন দেই আমরা নিজ হাতে। তাদের সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবার খাইয়ে দেই, তাদের সুখ দুঃখের কিছু গল্প শুনি সত্যি তাদের গল্প গুলো অদ্ভুত ধরনের।

এই বয়সে বাসায় থেকে শেষ বয়সটা কাটাবে আনন্দ উল্লাসে আর আজ সে কিনা এক জেলাখানা নামক বন্ধি হয়ে দিন যাপন করছে। ছেলে মেয়েদেরকে মানুষ করেছে তারা আজ চাকুরি করে বিশাল বহুতল বাড়িতে বাস করছে আর মা বৃদ্ধাশ্রমে। এসব ছেলে মেয়ে মানুষ রুপি পশু। এসব মায়েরদের কষ্টের কথা শুনে আমাদের ভিতর টা কেঁদে উঠে। আব্দুল্লাহপুর থেকে খানিক দুরত্বে জিয়াবাগ নামক স্থানে আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটি অবস্থিত যার বর্ননা এতক্ষন দিলাম, আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমকে অনেক বেশি ধন্যবাদ এই অসহায় মা গুলোর দায়িত্ব নেয়ার জন্য তাদের মৌলিক চাহিদা গুলো পূরণ করার জন্য ।

আশা করি আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম এর এই অসহায় মায়েদের পাশে আপনারা সকলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন,আর যেন কোন মায়ের স্থান না হয় কোন বৃদ্ধাশ্রমে।সব সন্তান সকল মায়ের অন্তিম অসহায় সময়ে পাশে থাকবে এবং তেমনি করেই যত্ন নিবে যেমনটা “মা” আমাদের যত্নে লালন করেছেন এই প্রত্যাশায় দেশ পলিটেকনিক কলেজ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ পাওয়া