আশুলিয়ায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা : স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আইন আদালত রিপোর্ট : ঢাকার আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার শ্রমিক ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় তার স্বামী মজনু মিয়ার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া ও ফাইমা আক্তার দুজনেই পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এসএম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মুত্যৃদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার উত্তরপয়ার রহিস উদ্দিনের ছেলে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। তাদের মাঝে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর মজনু মিয়া তার স্ত্রীকে বটি বা দা দিয়ে গলা কাটে হত্যা করেন। এরপর ফাইমার মরদেহ ঘরে রেখে তিনি পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মজনুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর মজনু মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

২০১৭ সালের ৩১ মার্চ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক শাহজালাল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৪ জুন আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের বিভিন্ন সময়ে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ ডটকম/১৫-নভেম্বর২০১৭ইং/নোমান

Comments are closed.