ভৈরবে শীতের কাপড় কিনতে মার্কেটসহ ফুটপাতের দোকানগুলিতে ভীড়

সজীব আহমেদ, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি।। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সন্ধ্যা ও রাতে মেঘনা নদী হিমেল হাওয়ায় শহরে ও গ্রামগঞ্জে জেঁকে বসেছে অগ্রায়ণের শীত। গত কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় প্রচন্ড শীত থেকে রক্ষা পেতে সাদ্ধের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ভীড় জমাচ্ছেন ফুটপাতে ও মাকের্টের দোকান গুলোতে।ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত মার্কেটগুলোতে গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে।

শুরুতেই শীত বস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় বিভিন্ন ধরনের শীতের পোশাক তুলেছেন তারা দোকানীরা।প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাতের দোকান গুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশা পাশী উচ্চবিত্তরাও রাস্তার পাশের এসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছে।বিশেষ করে মৌসুম ভিত্তিক দোকান গুলোতে শীতের কাপড় কেনা-বেচা চলছে পুরোদমে। শীত কম থাকায় ব্যবসা কম হচ্ছে। সামনের দিনে অনেক ভালো ব্যবসা হবে এমনটাই আশা ফুটপাতে বসা দোকানীদের।

ফুটপাতের দোকানে একটি সোয়াটারের দাম ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, বাচ্চাদের কাপড় ৪০০ থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত, মাফলার ৫০ থেকে ১৫০ টকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সাদ্ধের মধ্যে থেকেই পছন্দের শীতের পোশাকটি বেছে নিতে চেষ্টা করছে দরিদ্র মানুষেরা।

প্রতিবছর শীত মৌসুম আসলেই তাদের বিক্রয়ের অবস্থা বেশভালই হয়। গত কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা থাকায় শীতার্ত মানুষ প্রচন্ড শীত থেকে রক্ষা পেতে তাদের সামার্থনুযায়ী ভীড় জমাচ্ছেন নিউ মাকের্ট,ছবিঘর শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান গুলোতে।

শিলা মেচিং সেন্টারে মালিক ও ছবিঘর ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মোস্তুফা কামাল মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠকে জানান, কয়েক দিন যাবত বৃষ্টি থাকার কারণে বেচাকেনা তেমন নেই। কিন্তুু আমরা আশা বাদি গতবছরে তুলনাই এই বার শীত বেশি হবে। আমাদের বেচাকেনা ও ভালো হবে।

অন্যদিকে ফুটপাতের আরো কয়েক জন শীতবস্ত্র বিক্রেতা জানায়, সব বয়সী মানুষের পোশাক বিক্রয় হচ্ছে, এসব ফুটপাত গুলোতে। গার্মেন্টস আইটেমের চেয়ে পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি করে বেশি লাভ হয়।কেননা আমরা এক একটি কাপড়ের গাইট কিনি ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ্য টাকায়, সেই বিদেশী গাইট গুলো থেকে কখনো ভালো কাপড় বেরহয় কখনো আবার খারাপ।

ফুটপাতে শীতের পোশাক কিনতে আসা মনি বেগম নামে এক মহিলা বলেন, শীত আসলে কেনা কাটার ধুম বেড়ে যায়। প্রতিনিয়ত শীতের পোশাক ক্রয়করি, তারপরেও অনেক কিনতে ইচ্ছে করে।বিশেষ করে শিশুদের দিকটা আলাদা। তাদের জন্য দেখে-শুনে ভালো শীতের পোশাক ক্রয় করি, ফুটপাথের দোকানগুলোতে শীতের অনেক ভালো পোশাক পাওয়া য়ায়। দামেরদিক দিয়েও মোটামুটি সস্তা। তবে দরদাম করেই পোশাক কিনছি।

Comments are closed.