বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনালের স্টেডিয়াম ভেঙে ফেলছে উরুগুয়ে

স্পোর্টস রিপোর্ট : বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়েতে। ১৯৩০ সালের ওই আসরের সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ খেলা হয়েছিল ‘এস্তেদিও সেন্তেনারিও’ স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা জেতে উরুগুয়ে। অথচ ঐতিহাসিক এ স্টেডিয়ামটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী ফার্নেন্দো ক্যাসিরেস এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, ‘স্টেডিয়ামটিকে আর টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। কারণ এর রক্ষণাবেক্ষণ খুবই ব্যয়বহুল। এটা আধুনিক কালের খেলাধুলার জন্য উপযোগী নয়।’

আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েকে নিয়ে যৌথভাবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চায় উরুগুয়ে। সে লক্ষ্যে নতুন ৬টি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে দেশটি। তারই অংশ হিসেবে ৯০ বছর পুরনো ঐতিহাসিক এ স্টেডিয়ামটি ভেঙে ফেলছে তারা।

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মন্টিভিডিও শহরের তিনটি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তার মধ্যে ‘এস্তেদিও সেন্তেনারিও’ স্টেডিয়ামটি ছিল সবচেয়ে আধুনিক। স্টেডিয়ামটি ওই বছরই নির্মাণ করা হয়েছিল বিশ্বকাপ ফুটবল ও দেশটির স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে। ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত স্টেডিয়ামটির ধারণ ক্ষমতা ছিল ৯০ হাজার। বর্তমানে অবশ্য এর ধারণ ক্ষমতা ৬০ হাজার। এটি নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল ৮ মাস।

‘এস্তেদিও সেন্তেনারিও’ স্টেডিয়ামে ১৯৩০ সালের ৩০ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতে নেয় উরুগুয়ে।সূত্র- এপি

Comments are closed.