বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা কে বুকে ধারন করে আগামী দিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিতে চান হাবিবুল্লাহ বিপ্লব

Muktijoddhar Kantho , Muktijoddhar Kantho
মে ৬, ২০১৮ ৮:০৯ অপরাহ্ণ
মুক্তকলাম ।। আগামী ১১ই মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলন। ইতিমধ্যেই সম্মেলন কে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক আনন্দঘন পরিবেশ।পদপ্রত্যাশী ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মী অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন।যেহেতু সামনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর এর মাঝেই তড়িঘড়ি করে ছাত্রলীগের সম্মেলন কে ঘিরে অনেকের মনেই বিভিন্ন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে সবকিছুর মূলে একটাই প্রশ্ন কে আসছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আগামী নেতৃত্বে? কিছু কিছু আওয়ামীলীগ নেতাদের মতে ইলেকশনের মাধ্যমে হতে পারে ছাত্রলীগের আগামী নেতা বাছাই আবার কেউ কেউ বলছেন সিলেকশন এর কথা। তবে সকলেই এটা মানেন যে ইলেকশন বা সিলেকশন যাই হোক না কেন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আগামী নেতৃত্ব দেবার স্বপ্নে যারা দিনরাত দৌড় ঝাপ করছেন ও ব্যস্ত সময় পার করছেন তাদের অনেকের চেয়ে  সাংগঠনিক ভাবে দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান পরিবেশ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বিপ্লব।
হাবিবুল্লাহ বিপ্লব ১৯৯৩ সালে টাঙ্গাইল জেলার সখীপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও আওয়ামী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এ.কে.এম সাইফুল্লাহ পেশায় একজন শিক্ষক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাতা বিউটি আক্তার পেশায় গৃহিনী। হাবিবুল্লাহ বিপ্লবের চাচা শামস উদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দুই ভাইয়ের মধ্য হাবিবুল্লাহ বিপ্লবের অবস্থান বড়। তিনি ২০০৮ সালে সখীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত হয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন এরপর মুজিব অনার্স কলেজ থেকে ২০১০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। ২০০৮-২০১০ এ সময়ের ভেতর ই তিনি ছাত্রলীগের একজন সক্রীয় কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। তারপর ২০১৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফলতার সাথে এল.এল.বি শেষ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এল.এল.এম অধ্যায়ণরত রয়েছেন এবং দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার উপর স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা করছেন।
এছাড়া তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন এবং পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর আগে অর্থাৎ সোহাগ-নাজমুল কমিটিতে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
এরই মাঝে তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনের সকল কর্মসূচি তে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছেন।জামাত শিবির নিষিদ্ধের দাবি ও হেফাজতে ইসলামের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। এছাড়া ৫ই জানুয়ারী কে ঘিরে বি.এন.পি জামাত ঘোষিত সকল অপকর্ম, হরতাল অবরোধের বিরুদ্ধে ছাত্রদের কে সাথে নিয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রসৈনিক হিসেবে রাজপথে নিজেকে সফলভাবে প্রমাণ করেছেন। সম্প্রতি কোটা আন্দোলনের নামে একটি মহল নৃশংসতার চেষ্টা করলে সেখানে ও হাবিবুল্লাহ বিপ্লব ছাত্র কর্মীদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সহ আশপাশের  এলাকায় শক্ত অবস্থান নেন।
একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন আমি ছোটবেলা থেকেই বংগবন্ধুর আদর্শে নিজেকে গড়তে চেয়েছি, এবং এর জন্য আজ ও নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।  আমি বংগবন্ধুর আদর্শ কে বুকে ধারণ করে বাংলার ছাত্র সমাজ কে শিক্ষা, শান্তি, প্রগতির পতাকাতলে এনে গনতন্ত্রের মানসকন্যা, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে চায় এবং আগামীদিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আরো সুসংগঠিত করতে চায়। তিনি আরো বলেন স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিশ্বাসী হয়ে বংগবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে আমি সর্বদা প্রস্তুত।
হাবিবুল্লাহ বিপ্লব, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন পরিচ্ছন ও ক্লিন ইমেজের অধিকারী ছাত্রনেতা। তিনি তার এই রাজনৈতিক শিক্ষা, আদর্শকে পূজি করে আগামীদিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দানের মাধ্যমে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করে তুলতে চান। (লেখক এবং সাংবাদিক বাপ্পি খাঁন)

 

 

Comments are closed.