মেগা প্রকল্পে মেগা বরাদ্দ এবারের বাজেটে

মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ ,
জুন ২৩, ২০১৮ ১০:০৪ অপরাহ্ণ

অর্থনৈতিক রিপোর্ট ।। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে মেগাপ্রকল্প গুলো দ্রুত দৃশ্যমান করার উদ্দেশ্যে বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২০১৮-২০১৯ বাজেটে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও বিশ্বের দরবারে অনন্য দেশ হিসেবে পরিচিতির জন্য এই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

চিহ্নিত ১০টি মেগাপ্রকল্প গুলোর মধ্যে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, পদ্মা রেলসেতু সংযোগ প্রকল্প, রূপপুর
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, চট্টগ্রাম-দোহাজারী থেকে রামু-
কক্সবাজার এবং রামু-গুনদুম রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) ডেভেলপমেন্ট
প্রকল্প, পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার
ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রকল্প ও মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প। এই দশটি
মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য নতুন অর্থবছরের বাজেটে ৩২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
এই ১০টি প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ‘রূপপুর পারমাণবিক
বিদ্যুৎ’ প্রকল্পের জন্য। পদ্মা মূল সেতুর জন্য রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা এবং পদ্মা সেতু রেল
সংযোগের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।ঢাকাবাসীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা মাস
র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প’ বা মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার
৯০২ কোটি টাকা।

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ১৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ নিশ্চিত করেছেন সরকার। কর্ণফুলী টানেল
নির্মাণের জন্য অর্থমন্ত্রী এতে বরাদ্দ রেখেছেন ১ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা। দেশের অভ্যন্তরীন রেল সংযোগ
আরও বাড়ানোর জন্য দোহাজারি-রামু-কক্সবাজার-ঘুমধুম রেল সংযোগ প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৪৫০ কোটি
টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পায়রা সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। ক্রমবর্ধমান
জনসংখ্যার গ্যাসের চাহিদা মিটানোর জন্য ও শিল্পোৎপাদন আরও ত্বরান্বিত করার জন্য মহেশখালি ভাসমান
এলএনজি টার্মিনালের জন্য বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭৫৩ কোটি টাকা। বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল
মুহিত বাজেটের মেগা প্রকল্প সম্পর্কে বলেন যে দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে ১০টি মেগাপ্রকল্প
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজরদারিতে আনা হয়েছে।

‘রূপকল্প – ২১’ ও ‘রূপকল্প -৪১’ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রবৃদ্ধি সঞ্চালক ১০টি মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন দেশের
অর্থনৈতিক চাকাকে আরও গতিশীল করবে এবং রূপান্তরিত করবে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত দেশে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ পাওয়া