দেশের খবর - July 28, 2018

ইছাখালীতে অপরিকল্পিত মৎস্য চাষে ক্ষতির সম্মুখীন কৃষি চাষাবাদ

মীরসরাই, চট্টগ্রাম ।। মীরসরাই উপজেলা চট্টগ্রাম জেলার অন্যতম একটি এলাকা।এই উপজেলায় বেশীর ভাগ কৃষি চাষাবাদ হতো ইছাখালীতে। সাগরতীর ঘেষেঁ গড়ে ওঠা এই চরাঞ্চল একসময় গো চরণ ও কৃষি চাষাবাদ করে এলাকার লোক জীবিকা নির্বাহ করতো।এছাড়া ও লবণ চাষাবাদে এলাকাবাসী আয় করতো।

এক কথায় কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে সমালোচিত ছিল।কালের বিবর্তনে আজ এই এলাকায় কৃষি থেকে মৎস্য চাষাবাদ বেশি হয়।ফলে গো চরণ ভূমি ও কৃষি চাষাবাদ প্রায় বিলুপ্তের পথে।এই চরাঞ্চলে কৃষক চাষাবাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলতেছে।তার অন্যতম প্রধান কারণ মৎস্য চাষ করা মালিকগণ অপরিকল্পিত মাছের ঘের তৈরী করাতে অতিবৃষ্টি হলে ধানের বীজতলা ও ধান পানিতে তলিয়ে যায়।

ফলে কৃষকগণ চাষাবাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।সরেজমিনে দেখা যায় ইছাখালীতে পানি উন্নয়ন বেড়ী বাঁধ থেকে ৫টি সংযোগ সড়ক চরাঞ্চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে সিডিএসপি নামক একটি বিদেশী সংস্থা।তারা রাস্তাগুলো তৈরি করার সময় বড় খাল ব্যাতীত সকল রাস্তায় পানি চলাচল করার জন্য বক্স কার্লভাড করে দেয়।বৃষ্টির পানি অতিদ্রুত বড় খালে গিয়ে সাগরে মিশে যেত।বর্তমানে এই বক্স কার্লভাডগুলো দিয়ে পানি চলাচলের পথ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।তার কারণ হলো মৎস্য চাষের জন্য পাড় অপরিকল্পিতভাবে তৈরি করায় পানি বড় খালে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়।

এছাড়াও পূর্বের খালগুলোকে মাছ চাষের আওতাভুক্ত করায় এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।তাই একটু বৃষ্টি হলে এই এলাকার মানুষের চরাঞ্চলের রাস্তাগুলো,বসত বাড়ী ও কৃষকের বীজ তলা ও ধান পানিতে তলিয়ে যায়।এমন অবস্থায় অএ চরাঞ্চলের নাগরিকদের ভোগান্তি ও জনদূর্ভোগ বেড়ে যায়।এক সময় এই চরে মহিষ,গরু,বেঁড়ার অবাধ বিচরণ ছিল।আজ তা প্রায় বিলুপ্ত। তারই ফলে এই এলাকার কৃষকগোষ্ঠীদের উপার্জন বন্ধ হওয়ার পথে।অনেক কৃষক এখন চাষাবাদ বাদ অন্য কাজ করার জন্য শহরমুখী হচ্ছে। তাই এই এলাকার কৃষকদের চাষাবাদে উপার্জনমুখী করে তুলতে অপরিকল্পিত মৎস্য চাষ ও খালগুলোকে পানি চলাচলের উপযোগী করে তুলতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি অাকর্ষন করেন এই এলাকার সর্বস্তরের ভোক্তভোগী জনগণ।


আরও পড়ুন