ওরা এখনো খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে

মন্তোষ চক্রবর্তী । ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি , মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠ
জুলাই ২৮, ২০১৮ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

কিশোরগঞ্জের হাওড় উপজেলা অষ্টগ্রামে কলমা ইউনিয়নে শান্তিপুর গ্রামে প্রায় ৩ মিনিটি ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ি ঘর উড়িয়ে নেওয়ার পর সপ্তাহ অধীক সময় পার হলে এদের এখনো মাথার গুজার ঠাই হয়নি। রোদ বৃষ্টি অপেক্ষা করে শিশু কিশোর পরিবার বর্গনিয়ে মানবেতর দিনাদিপাত করছে।

পেশাগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এই ৩০টি পরিবারের সংখ্যাগরিষ্ট জেলে, ক্ষুদ্র কৃষক ও শ্রমজীবি কেটে খাওয়া দিন মজুর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো জানান, এই মর্হুতে নেই কোন কর্ম সংস্থানের সুযোগ মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য আসবা পত্র ঘূর্ণিঝড়ে উড়ায়ে যাওয়ায় বর্তমানে নিঃস্ব ও অসহায় হয়ে পরে কেই কেই আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও অধীংশ পরিবার রোদ,বৃষ্টি, বাদলা মাথায় নিয়ে দুর্শহ জীভন যাবন করছে। ইতি মধ্যে শিশু, কিশোর সহ অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানান।

সরকারি ভাবে জরুরী ভিত্তিতে ৩০ কেজি চাল দেওয়া ছাড়া আর কোন কিছু তাদের ভাগ্য জুটেনি। এলাবাসিরা জানান গত ২০ জুলাইয়ে সকালে হঠাৎ ঘুণিঝড়ে শান্তিপুর গ্রামের ৩০টি পরিবার বিধ্বস্ত হয়ে পরে। পরে উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মানিক কুমার দেব, উপজেলা আওয়ামীলীগে মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা নাছিমা আক্তার, সাবেক উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোস্তাক আহম্মেদ কমল ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে। পরে তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্থ মধ্যে কিছু আর্থিক সাহায্য প্রদান করেছে বলে এলাকাবাসি জানান।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) উপ-সচিব তরফদার মোঃ আক্তার জামীল বলেন, ইতি মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার কে দেওয়া হয়েছে এবং আবারও ৩০ কেজি করে চাউলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

 

Comments are closed.