কিশোরগঞ্জ সদর - আগস্ট ১, ২০১৮

কিশোরগঞ্জে পোল্ট্রি শিল্পে মোঃ শিবলী সাদিক নোমানের সাফল্য

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পোল্ট্রি শিল্পে বেকারত্ব গুচিয়েছে আত্নকর্মী সফল যুবকমোঃ শিবলী সাদিক নোমান। সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে নোমান বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কৃর্তক বেকার যুবদের প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর মৎস্য ও পোল্ট্রি খামার করে স্বালম্বী হওয়ার বিজ্ঞাপন দেখে এবং শাইখ সিরাজের উপস্থাপনায় কৃষি ভিত্তিক প্রামান্য অনুষ্ঠান “মাটি ও মানুষ” অনুষ্ঠানে প্রচারিত বিভিন্ন প্রকল্পের প্রমান্য তথ্য চিত্র ও সফল যুবকের আত্মকর্মী কাহিনী দেখে প্রাথমিক ভাবে মৎস্য খামার স্থাপনে উদ্বুদ্ধ হই। আমি মাসব্যাপী মৎস্য চাষ,৭দিন ব্যাপী হাস মুরগী পালন খামার স্থাপন,৭ দিন ব্যাপী বনায়ন ও নার্সারী,গরুমোটাতাজাকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেই। প্রশিক্ষণলব্দ জ্ঞান দিয়ে ২০০২ সালে আমার পিতা অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের কাছ থেকে ২০,০০০/- ধার নিয়ে ০২টি পুকুরে মাছের চাষ শুরু করি। ১ম বছর সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে ৩০,০০০/- টাকা মুনাফা হয়। ২০০৯ সালে আমার লেখা পড়ার ফাঁকে ফাঁকে মাছের চাষ চালিয়ে যেতে থাকি। কিন্তু প্রয়োজনীয় পুঁজির অভাবে প্রকল্প সম্প্রসারন করতে পারিনি। আমি ২০১১সনে এম,বি,এস, (মার্কেটিং) ২য়শ্রেণীতে উত্তীর্ন হই। কয়েক বছর সরকারী চাকুরী খুঁেজ হতাশ হয়ে পুনঃরায় মৎস্য চাষ শুরু করি। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পশু সম্পদ দপ্তর, ও বিভিন্ন এন জিও কর্মকর্তাদের পরামর্শে ২০১৫ সাল থেকে মৎস্য চাষের পাশা পাশি ৬০০ লেয়ার মুরগী নিয়ে ব্যবসা শুরু করি। ব্যবসা লভ্যাংশ, পারিবারিক উৎস ও কিছু জমি বন্দক দিয়ে প্রকল্প সম্প্রসারণ করতে থাকি। বর্তমানে আমার প্রতিষ্ঠিত মেসার্স সোনালী এন্টারপ্রাইজ বহুমুখী ফার্মের প্রকল্পে মোট জমির পরিমাণ ৫ একর ২০ শতাংশ। যার মধ্যে রয়েছে ৪টি পুকুর , ০২টি মুরগীর সেড, সবজীর বাগান, ফলের বাগান, নার্সারী প্ল্যাট। চলতি বছরে গরুমোটাতাজা ও গাভীপালন বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। তাছাড়া বায়োগ্যাস প্রান্ট নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করা হচ্ছে। বর্তমানে আমার খামারে ০২টি সেডে লেয়ার মুরগীর সংখ্যা ৩৫০০টি। ৪টি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছি। বর্তমানে আমার প্রকল্পে নিয়মিত ৪জন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে আরও ৩/৪ জন শ্রমিক কাজ করছে। আমার ব্যাক্তিগত উদ্যোগ ও পরামর্শে এলাকায় আরও ৭/৮টি খামার গড়ে উঠেছে। এ বৎসর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে ৬০,০০০/- টাকা যুব ঋণ নিয়ে প্রকল্প সম্প্রসারন করেছি। উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ নিয়ে এলাকার বেকার যুবদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছি। জাতীয় যুব দিবস, বিভিন্ন জাতীয় দিবসে অংশ গ্রহন সহ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিটি র্কমকান্ডে নিয়মিত ভাবে অংশ গহন করে আসছি। এ ছাড়া এলাকার হত দরিদ্র জনগোষ্টিকে স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন, বাল্য বিবাহ রোধ, যৌতুক বিরোধী প্রচারনা, বৃক্ষরোপনসহ সামাজিক কর্মকান্ড করে আসছি। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও দিক নির্দেশনা আমার বেকারত্ব দূর সহ আমাকে দিয়েছে আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠা। যত সামান্য পুঁজি দিয়ে ছাত্রাবস্থায় আমার কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে আমার মাসিক আয় গড়ে লক্ষাধিক টাকারও উপরে বলে তিনি জানান।


আরও পড়ুন

৪ Comments

  1. My partner and i picture this may be several on the actual information? nonetheless My partner and i nevertheless consider which it typically would work for just about any form of issue materials, because of it could steadily become pleasurable to determine any comfortable and also pleasant deal with or possibly hear any tone of voice while original landing.

Comments are closed.