দেশের খবর - August 28, 2018

ভালুকায় ঔষধ কারখানার সন্ধ্যান, প্রশাসনের দু’দফা অভিযান

ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের আমতলী খন্দকারপাড়ার পল্লীতে ষ্টার ল্যাবরেটরিজ নামে একটি ঔষধ কারখানার সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। যেখানে হারবাল ঔষধের পাশাপাশি দেশী বিদেশী দামী ঔষধ তৈরীর সরঞ্জাম লেবেল ও প্যাকেটজাত ঔষধ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকালে ও রাতে ওই কারখানায় দু’দফা অভিযান চালিয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

২৭ আগষ্ট সোমবার হবিরবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল ও ভালুকা মডেল থানার ওসি তদন্ত মাজাহারুল ইসলাম খবর পেয়ে ওই কারখানায় অভিযান চালান। এ সময় কারখানার অভ্যন্তরে বিভিন্ন কক্ষের ফ্লোরে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ঔষদের বোতল, লেবেল, যন্ত্রপাতি, কেমিকেল ইত্যাদি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ছড়ানো ছিল ।

কারখানার এডমিন ম্যানেজার গৌতম বনিক রানা জানান, ভালুকার জামিরদিয়ার রিয়াজ আহম্মেদ ও জনৈক আলমগীর হোসেনের মালিকানায় পার্বতীপুর দিনাজপুরের নিউ ভেনটিস ল্যাব নামে লাইসেন্সে ষ্টার ল্যাবরেটরিজ নাম দিয়ে ভালুকার পল্লীতে হারবাল সহ দেশী বিদেশী বিভিন্ন ঔষধ এ কারখানায় তৈরী হচ্ছে।

এ সময় কারখানায় তৈরী ঔষধ জন স্বাস্ব্যের জন্য কতটুকু নিরাপদ তা পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন ঔষধের স্যাম্পল, লেবেল সহ কারখানার দায়িত্বে নিয়োজিত এডমিন গৌতম বণিক রানা ও ক্যামিষ্ট হাকিম মোঃ কামরুজ্জামান কে জিঞ্জাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়। একই দিন রাত ১০ টার দিকে এডমিন গৌতম বণিক রানা ও ক্যামিষ্ট হাকিম মোঃ কামরুজ্জামান কে সাথে করে পুনরায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল, ড্রাগ সুপার ময়মনসিংহ এস এম সুলতানুল আরেফিন সহ ওই কারখানায় গিয়ে কারখানা পরিদর্শন কালে দেখতে পান বিকালে রেখে যাওয়া কিছু খোলা ক্যাপসুল ও লেবেল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ সময় কর্তৃপক্ষের কাছে ঔষধ তৈরীর অনুমতি পত্র ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরিক্ষা নিরিক্ষা করেন। পরে কারখানায় সাময়িক তালা দিয়ে চাবি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের জিম্মায় রেখে আসেন।

এ ব্যাপারে এস এম সুলতানুল আরেফিন জানান তাদের ৩৮ টি প্রোডাক্ট উৎপাদনের অনুমতি রয়েছে কিন্ত তাদের কারখানায় অ্যামেরিকা ও চায়না লেবেলে ঔষধ প্রস্তুত করার নমুনা পাওয়া গেছে যার কোন অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। তিনি জানান পুনরায় ওই কারখানায় তল্লাসী করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল জানান, কারখানার কোন অনিয়ম রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাহায্য নেয়া হবে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জানান কারখানার ট্রেড লাইসেন্স ও অনাপত্তিপত্র ভূয়া সঠিক নয়।


আরও পড়ুন