muktijoddhar kantho logo l o a d i n g

খেলার খবর

জিম্বাবুয়েকে প্রথম ওয়ানডেতে হারিয়ে শুভ সূচনা বাংলাদেশের

বাংলাদেশকে প্রথম ওয়ানডেতে তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরির পর বোলারদের নৈপুণ্যে ২৮ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। বুধবার চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

রোববার আগে ব্যাট করতে নেমে ইমরুলের ১৪৪ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানের বেশি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ে: ২৪৩/৯ (৫০ ওভার)।

বাংলাদেশ : ২৭১/৮ (৫০ ওভার)।

মাহমুদউল্লাহর মধুর প্রতিশোধ :

আগের দুই বলে মাহমুদউল্লাহকে দুই ছক্কা হাকিয়েছিলেন কাইল জার্ভিস। পরের বলেই তাকে আউট করে মধুর প্রতিশোধ নিলেন মাহমুদউল্লাহ। জার্ভিসের (৩৭) বিদায়ে ভেঙেছে ৬৭ রানের নবম উইকেট জুটি। তখন জিম্বাবুয়ের স্কোর ৯ উইকেটে ২৩৬।

মিরাজের দারুণ ক্যাচ :

দারুণ এক ফিরতি ক্যাচে মাভুতাকে ফিরিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারের বলে স্ট্রেইট ড্রাইভ করেছিলেন মাভুতা। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ নেন মিরাজ। ইনিংসে এটি মিরাজের তৃতীয় শিকার। ১৬ বলে ২০ রান করেন মাভুতা। তখন জিম্বাবুয়ের স্কোর ৮ উইকেটে ১৬৯।

মিরাজের দ্বিতীয় :

মেহেদী হাসান মিরাজের ফুল লেংথ বল সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়েছেন পিটার মুর। ৪৫ বলে ২৬ রান করেছেন তিনি। মুর ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ৬ উইকেটে ১৪৫।

রাব্বীর দারুণ থ্রোয়ে রান আউট ত্রিপানো :

মাশরাফি বিন মুর্তজার বল অফ সাইডে খেলেই সিঙ্গেলের জন্য বেরিয়ে এসেছিলেন ডোনাল্ড ত্রিপানো। কাভার থেকে খানিকটা দৌড়ে গিয়ে শুয়ে পড়ে এক হাতে থ্রোয়ে স্টাম্প ভেঙে দেন অভিষিক্ত ফজলে রাব্বী ।রান আউট হয়ে ফেরেন ত্রিপানো। ত্রিপানো ২ রান করে ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৪৮।

মিরাজের প্রথম :

ক্রেইগ আরভিনকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের প্রথম উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারের লেংথ বলে বোল্ড হয়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান। আরভিন ৪৮ বলে ২৪ রান করে ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ৫ উইকেটে ১০০ রান।

রাজাকে ফিরিয়ে নাজমুলের দ্বিতীয় :

শুরু থেকেই রানের জন্য সংগ্রাম করছিলেন সিকান্দার রাজা। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেন ২২ বলে ৭ রান করে। বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপুর হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা বল বুঝতেই পারেননি রাজা। স্টাম্পের ওপর থেকে উড়ে গেছে বেল। ইনিংসে এটি নাজমুলের দ্বিতীয় শিকার। রাজার ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ৪ উইকেটে ৮৮।

ইমরুল-মুশফিকের নৈপুণ্যে মাসাকাদজা রান আউট :

প্রস্তুতি ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে  আজ ডানা মেলার সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশ। ৩৪ বলে ২১ রান করে রান আউট হয়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। নাজমুল ইসলাম অপুর বল ডিপ এক্সট্রা কাভারে খেলে ডাবল নিতে চেয়েছিলেন মাসাকাদাজ। ক্ষিপ্রতায় বল ধরে উইকেটরক্ষক মুশফিকের কাছে পাঠান ইমরুল কায়েস। থ্রোটা ছিল স্টাম্প থেকে কিছুটা দূরে। দারুণভাবে বল ধরে ঝাঁপিয়ে এক হাতে স্টাম্প ভেঙে দেন মুশফিক। মাসাকাদজা ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ৩ উইকেটে ৬৩।

টেলরকে টিকতে দিলেন না নাজমুল :

দুই দলের মধ্যকার ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রান তার। সেই ব্রেন্ডন টেলরকে ডানা মেলার সুযোগই দিলেন না নাজমুল ইসলাম অপু। বাঁহাতি স্পিনারের দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। টেলর ১৩ বলে ৫ রান করে ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের স্কোর ২ উইকেটে ৫৯।

এসেই উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন মুস্তাফিজ :

অষ্টম ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেই দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের প্রথম ডেলিভারিটা ছিল ওয়াইড। পরের বলেই উড়িয়ে নিয়ে গেছেন ঝুওয়াওয়ের অফ স্টাম্প। ২৪ বলে ৩৫ রান করেছেন তিনি। ভেঙেছে জিম্বাবুয়ের ৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি

জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য ২৭২ :

কাইল জার্ভিসের দুই ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে কী বিপদেই না পড়েছিল বাংলাদেশ। তখন যে ১৩৯ রানেই নেই ৬ উইকেট! সেখান থেকে রেকর্ড জুটিতে দলকে পথ দেখালেন ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এক প্রান্ত আগলে রেখে ইমরুল করলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন পেলেন প্রথম ফিফটি। তাতে বাংলাদেশ পেল ভালো সংগ্রহ। ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে জিম্বাবুয়েকে করতে হবে ২৭২।

সাইফের প্রথম ফিফটি :

দলে ফেরাটা রাঙালেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। চাপের মুখে ব্যাটিংয়ে নেমে নিজের প্রথম ওয়ানডে ফিফটি তুলে নিয়েছেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। ৬৯ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় করেছেন ঠিক ৫০ রান। তার আগের সেরা ছিল ৩২।

শেষ হলো ইমরুলের রেকর্ড ইনিংস :

কাইল জার্ভিসের বলে পিটার মুরকে ক্যাচ দিয়ে শেষ হলো ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত এক ইনিংস।  ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন। একটা সময় ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল দল। সেখান থেকে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন। আউট হওয়ার আগে ১৪০ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেছেন ১৪৪ রানের অসাধারণ ইনিংস। মিরপুরে ওয়ানডেতে এটি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ স্কোর। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবালের ১৩২ ছিল আগের রেকর্ড।  এই ফরম্যাটে তামিমের (১৫৪) গড়া বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ স্কোরের রেকর্ডটা অবশ্য ভাঙতে পারলেন না ইমরুল।

ইমরুল ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সপ্তম উইকেট জুটিতে এসেছে ১২৭ রান। সপ্তম উইকেটে এটি বাংলাদেশের রেকর্ড। ২০১০ সালে ডানেডিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম ও নাঈম ইসলাম জুটির ১০১ রান ছিল আগের রেকর্ড।

বাংলাদেশের দুইশ :

৪৩ ওভারে বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ দুইশ ছুঁয়েছে। ৪৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ২০৩। ইমরুল কায়েস ১০৪ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২৭ রানে অপরাজিত আছেন।

ইমরুলের দারুণ সেঞ্চুরি :

৯৯ থেকে ডোনাল্ড ত্রিপানোর লেগ স্টাম্পের বলটা থার্ডম্যানে পাঠিয়ে এক রান নিলেন। ইমরুল কায়েস পৌঁছে গেলেন সেঞ্চুরির মাইলফলকে। প্রান্ত বদল করে দুই হাতে ব্যাটটা এমনভাবে দোলালেন, ভঙ্গিমাই বলে দিচ্ছিল সেঞ্চুরিটা কিছুদিন আগে পৃথিবীর আলোয় আসা নিজের প্রথম সন্তানকে উৎসর্গ করলেন ইমরুল! ১১৮ বলে সেঞ্চুরি করতে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ইমরুল-সাইফ জুটির পঞ্চাশ :

দুই ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে হঠাৎ এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তখন ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপদেই পড়েছিল। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন ইমরুল কায়েস ও মোহাম্মদ সাইফউদিন। ছুঁয়েছে তাদের সপ্তম উইকেট জুটির পঞ্চাশ। জুটির পঞ্চাশ ছুঁয়েছে ৬৮ বলে। ইমরুল আছেন সেঞ্চুরির পথে।

টিকলেন না মিরাজও:

বেশিক্ষণ টিকলেন না মেহেদী হাসান মিরাজও। তিনিও যোগ দিলেন উইকেট পতনের মিছিলে। নিজের আগের ওভারে দুই উইকেট নেওয়ার কাইল জার্ভিস পরের ওভারে এসে নিয়েছেন আরো এক উইকেট। এই পেসারের অফ স্টাম্পের বলে কাট করতে চেয়েছিলেন মিরাজ, এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। মিরাজ ১ রান করে ফেরার সময় বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ১৩৯।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে বিপদে বাংলাদেশ :

মোহাম্মদ মিথুনের বিদায়ের পর টিকলেন না মাহমুদউল্লাহও। চার বল খেলে শূন্য রান করেছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। কাইল জার্ভিসের বল মাহমুদউল্লাহর ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে চলে যায়। রিভিউ নিয়েও রক্ষা হয়নি। এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। ২৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ১৩৭।

বিপজ্জনক মিথুনকে ফেরালেন জার্ভিস :

আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা মোহাম্মদ মিথুন ফিফটি করতে পারলেন না। তার আগেই তাকে ফিরিয়েছেন কাইল জার্ভিস। এই পেসারের বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়েন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৪০ বলে এক চার ও তিন ছক্কায় ৩৭ রান করেন মিথুন। তার বিদায়ে ভাঙে ৭১ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

বাংলাদেশের একশ :

মাভুতার পরপর দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকালেন ইমরুল। প্রথম ছক্কায় বাংলাদেশ ছুঁয়ে ফেলল দলীয় একশ রান। ২৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ১১২।

ইমরুলের ফিফটি :

সিকান্দার রাজার বলটা লং অফে পাঠিয়ে এক রান নিলেন। এই রানেই পূর্ণ হলো ইমরুলে কায়েসের ফিফটি। ৬৩ বলে পঞ্চাশ করতে ৫টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

মুশফিকের বিদায়ে ভাঙল প্রতিরোধ :

মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে ৪৯ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি ভেঙেছে। স্পিনার মাভুতার লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করতে গিয়ে মিস করেন মুশফিক। উইকেটের পেছনে বল ধরে জোরালো আবেদন করেন উইকেটরক্ষক ব্রেন্ডন টেলর। আম্পায়ার যদিও শুরুতে আউট দেননি। জিম্বাবুয়ে চায় রিভিউ। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল মুশফিকের ব্যাটের কানা ছুঁয়েছিল, আউট। ২০ বলে এক চারে ১৫ রান করে ফেরেন  মুশফিক। তখন ১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ৬৬। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ মিথুন।

অভিষেকে রাব্বীর শূন্য :

আন্তর্জাতিক অভিষেকটা ভালো হলো না ফজলে রাব্বীর। চার বল খেলে ডাক মেরেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। টেন্ডাই চাতারার বাউন্সারে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন রাব্বী। তখন ১৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ।

শুরুতেই ফিরলেন লিটন :

আগের ওভারের শেষ বলে জীবন পেয়েছিলেন ইমরুল কায়েস। পরের ওভারের প্রথম বলেই ফিরলেন  লিটন দাস। টেন্ডাই চাতারার বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে গিয়ে মিড অনে দারুণ এক ক্যাচে ফিরেছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। লিটন ১৪ বলে ৪ রান করে ফেরার সময় বাংলাদেশের স্কোর ১ উইকেটে ১৬।

বাংলাদেশের  একাদশ :

মাশরাফি বিন মুর্তজা, (অধিনায়ক), লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, ফজলে রাব্বী, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিথুন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল ইসলাম অপু ও মুস্তাফিজুর রহমান।

জিম্বাবুয়ের একাদশ :

হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, চেফাস ঝুওয়াও, ক্রেইগ আরভিন, ব্রেন্ডন টেলর, শেন উইলিয়ামস, পিটার মুর, সিকান্দার রাজা, ডোনাল্ড ত্রিপানো, ব্রেন্ডন মাভুতা, কাইল জার্ভিস, টেন্ডাই চাতারা।

ফজলে রাব্বীর অভিষেক :

১৪ বছর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার পর জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হলো ফজলে রাব্বীর। বাংলাদেশের ১২৯তম ক্রিকেটার হিসেবে আজ ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে তার। ৩০ বছর ২৯৫ দিন বয়সে ওয়ানডে অভিষেক হলো রাব্বীর।

টস

টস জিতলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ অধিনায়ক নিলেন আগে ব্যাটিং। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু দুপুর আড়াইটায়।

আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের সামনে নড়বড়ে জিম্বাবুয়ে

এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ। এরপর এটাই বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে জিম্বাবুয়ে। বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে হেরেছে আবার ৮ উইকেটে। দলটা বেশ নড়বড়ে হয়ে আছে। স্বাভাবিকভাবেই এই সিরিজে ফেবারিট বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা অবশ্য আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে নিজেদেরই ফেবারিট বলেছেন!

আট মাস পর

আট মাসেরও বেশি সময় পর আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরল মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই মাঠে এর আগে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছিল এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে, টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে হয়েছিল তারও এক মাসে আগে, ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের সে ম্যাচেও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।

মুখোমুখি লড়াই

দুই দল এর আগে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে ৬৯ বার। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ৪১টি, জিম্বাবুয়ে ২৮টি। শেষ দশ ম্যাচেই জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ। ২০১০ সালের ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের হারাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

Tags: