দেশের খবর - মুক্তিযোদ্ধার কথা - ডিসেম্বর ২, ২০১৮

আজ বরগুনার পাথরঘাটা হানাদার মুক্ত দিবস

১৯৭১ সালের এ দিনে (২ ডিসেম্বর) বরগুনার পাথরঘাটা হানাদারমূক্ত হয়। তিনদিক থেকে তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ভোর রাতে পাথরঘাটা আক্রমন করে। প্রত্যুষে পাথরঘাটা বিজয় লাভ করে বলে জানালেন তৎকালিন একটি দলের কমান্ডার ও মূক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন।

মূক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন ও মূক্তিযোদ্ধা এমএ খালেক জানালেন, ০১ ডিসেম্বর রাতের প্রথম প্রহরেই আক্রমনের পরিকল্পনা ছিল কিন্তু আমরা তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে ভোররাতে আক্রমন করি। প্রথমে পার্শ্ববর্তী বিষখালী নদীর অপরতীর থেকে আক্রমন শুরু হয়। পরে শহরের তিন দিক থেকে এক যোগে ফায়ারিং শুরু হলে রাজাকার সহ পাকিস্তান হানাদারবাহিনীর দোসররা পলিয়ে যায়। ২ ডিসেম্বর পাথরঘাটা হানাদানার মূক্ত হয়।

বিষখালী নদী পার হয়ে সকালে পালিয়ে যাওয়ার সময় কিছু রাজাকার,আলবদর শান্তি কমিটির সদস্য ও তাদের দোসর আটক করা হয়। সকালে পাথরঘাটা থানার উন্মুক্ত মাঠে গন আদালত বসান হয়। গনআদালতে যুদ্ধকালিন সময়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধ আরাধ করেছে তাদের গুলি দিয়ে হত্যা করা হয়। এদরে মধ্যে হাতেম রশেদী,সেকান্দার ডাক্তার,হাসেম হাজী অন্যতম।

কামাল উদ্দিন জানান, এলাকাটি ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের বুকাবুনিয়া সাব সেক্টরের আওতায়। তাদের কমান্ডারছিল টু এইচসি আলমগীর। পাথরঘাটা হানাদারমূক্ত করণে অন্য যারা ছিলেন সাবেক সেনা সদস্য এমএ খালেক বর্তমানে অবসরজীবন যাপন করছেন, পাথরঘাটা কেএম মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কাঠালতলী ইউনিয়নের নুর হোসেন তালুকদার , তার ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।


আরও পড়ুন

1 Comment

Comments are closed.