আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২

ডেস্ক রিপোর্ট , মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠ
ডিসেম্বর ৩, ২০১৮ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

পাবনার সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুই জন নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ পাঁচ জন আহত হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের আওরঙ্গবাদ বাজার এলাকায় সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় আবু সাইদ ও সুলতান খাঁ গ্রুপের মধ্যে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত।

নিহত দুইজন সুলতান খাঁ গ্রুপের সমর্থক। তারা হলেন সুলতান খাঁর বাবা আওরঙ্গবাদ গ্রামের মৃত গয়ের খাঁর ছেলে লস্কর খাঁ (৬৫) এবং একই গ্রামের আহেদ আলী শেখের ছেলে মালেক শেখ (৪৫)।

পাবনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইদ ও জাসদ থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া সুলতান খাঁ গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। মাঝে মধ্যে তাদের মধ্যে হামলা, সংঘর্ষ হয়। সন্ধ্যায় আওরঙ্গবাদ বাজার এলাকায় সুলতান খাঁর বাড়ির সামনে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সাইদ গ্রুপের লোকজন সুলতানের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি শুরু হয়। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১০ আহত হয়েছে।

গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মালেক শেখ ও লস্কর খাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত দুই নারী পিয়া খাতুন (৩৫) ও হালিমা খাতুন (৫০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত কয়েকজন পুলিশি ঝামেলা এড়াতে অজ্ঞাত স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ভাড়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ বলেন, ‘‘আসন্ন সংসদ  নির্বাচনে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য সুলতান গ্রুপ এ সব কর্মকাণ্ড করছে। সুলতান কখনো আওয়ামী লীগ করেনি এবং জাসদের সমর্থক। আমার পক্ষের কেউ হামলার সঙ্গে জড়িত নন।’’

সুলতান খাঁর সঙ্গে কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কারা হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

সর্বশেষ পাওয়া