আজ জাফর ইকবালের জন্মদিন

মাহমুদুল হাসান : আজ ২৩ ডিসেম্বর, জনপ্রিয় লেখক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালের ৬৬তম জন্মদিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

১৯৯৪ সালে প্রবাসজীবনের ইতি টেনে দেশে ফিরে মুহম্মদ জাফর ইকবাল অধ্যাপক হিসেবে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে যোগ দেন। তিনি তার লেখার মাধ্যমে সমাজের কুসংস্কার, ধর্মান্ধতাসহ নানা অসংগতি দূর করে বিজ্ঞানভিত্তিক একটি সমাজ নির্মাণের প্রচেষ্টা শুরু করেন।

বাংলাদেশে প্রথম কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট বেকবোন নির্মিত হয় তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। ২০০৫ সালে অনলাইন জরিপে বিশ্বের ১০ জন জীবিত শ্রেষ্ঠ বাঙালির একজন নির্বাচিত হন তিনি।

২০১০ সালে যুগোপযোগী জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবাল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সপক্ষে ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সর্বদা সোচ্চার তিনি।

২০০৯ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ নামে ছোট আকারের একটি বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেন। এই বই বিক্রি থেকে কোনো অর্থ তিনি নেননি এবং প্রকাশককেও নিতে দেননি। বরং বই বিক্রির অর্থে আবার বইটি ছাপা হয়েছে সবার হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

সব সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধেই কলম ধরেছেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তার আর সব লেখার মতো কলামও ব্যাপক জনপ্রিয় পাঠকের কাছে। এ পর্যন্ত সায়েন্স ফিকশন, ভৌতিক রচনাবলি, শিশুতোষ রচনাবলি, ইতিহাস, কিশোর উপন্যাস, উপন্যাস, স্মৃতিচারণা, ছোটগল্পসহ ১৫১টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশে গণিত, ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডসহ বিভিন্ন অলিম্পিয়াডকে জনপ্রিয় করতে মুহম্মদ জাফর ইকবালের অবদান অনস্বীকার্য। বিজ্ঞান জনপ্রিয় করতে তার প্রচেষ্টার অন্ত নেই।

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।


আরও পড়ুন

1 Comment

  1. I’m still learning from you, as I’m trying to achieve my goals. I definitely liked reading all that is written on your website.Keep the tips coming. I loved it!

Comments are closed.