আন্তর্জাতিক - জানুয়ারি ৭, ২০১৯

পালাতে গিয়ে থাইল্যান্ডে ধরা পড়েছেন সৌদি তরুণী

সৌদি আরবের এক তরুণী পরিবারের কাছ থেকে পালাতে গিয়ে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। দেশে ফেরত পাঠালে তাকে হত্যা করা হবে বলে আশঙ্কার কথা তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন।

সে তরুণীর নাম রাহাফ মোহাম্মদ মুতলাক আল-কুনুন। ১৮ বছর বয়সী সেই তরুণী পরিবারের সঙ্গে কুয়েত ভ্রমণে থাকার সময় দুদিন আগে তিনি পালিয়ে যান।

আশ্রয় প্রার্থনার জন্য ব্যাংকক হয়ে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাংকক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের একজন কূটনীতিক তার সঙ্গে দেখা করে তার পাসপোর্ট জব্দ করে বলে দাবি রাহাফের। এখান থেকেই তার অস্ট্রেলিয়াগামী দ্বিতীয় ফ্লাইটে উঠার কথা ছিল।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ব্যাংকক বিমানবন্দরের ভেতরে একটি হোটেলে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। রাহাফের আশঙ্কা সোমবার তাকে জোর করে কুয়েত ফেরত পাঠানো হবে। সেখান থেকে সৌদি আরব নিয়ে গিয়ে তার পরিবার তাকে হত্যা করবে।

সে অবস্থাতেই মরিয়া হয়ে রাহাফ নিজের অবস্থার কথা বিশ্ববাসীকে জানাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আশ্রয় নেন।

টুইটারে নিজের ছবি ও পাসপোর্টের ফটোকপি প্রকাশ করেছেন। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী কোনো নারী তার পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন না। তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। তাই তার পরিবার তার ওপর ক্ষুব্ধ।

থাই পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, রাহাফ নিজের বিয়ে থেকে পালিয়ে এসেছেন।

তার থাইল্যান্ডের ভিসা ছিল না, তাই পুলিশ তাকে এখানে প্রবেশে বাধা দেয়। কুয়েত এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে সে এখানে এসেছে, ওই এয়ারলাইন্সেই তাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সূত্র : বিবিসি।


আরও পড়ুন