করিমগঞ্জ - January 22, 2019

‘দল আমাকে মনোনয়ন দিলে উপজেলাবাসীর সেবক হতে প্রস্তুত’

আসন্ন করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবে আলোচিত নাম মিজানুর রহমান মিজান।

আসন্ন নির্বাচনে মিজানুর রহমান মিজানকে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হোক – এমনটি দাবি করেছেন করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বর্তমান একাধিক নেতৃবৃন্দ।

করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহনের বিষয়টি নিশ্চিত করে মিজানুর রহমান মিজান বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে উপজেলাবাসীর সেবক হতে প্রস্তুত। মনোনয়ন না দিলে নির্বাচন  থেকে বিরত থাকাসহ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই মাঠে থাকবো।

তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। করিমগঞ্জ সরকারি কলেজ এ ছাত্ররাজনীতিতে দলীয় কর্মকান্ড হিসাবে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতিক আদর্শ বাস্তবায়ন, দলীয় ও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সততা ও কৃতিত্বের পুরস্কার হিসাবে ১৯৯৬ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ও বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। তাই দলীয় আনুগত্য, জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সুস্পর্ক ও সক্রিয় অংশগ্রহনের জন্য আসন্ন নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন পাবো বলে আশাবাদী।

দলীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান মিজান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে এলাকায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিত মুখ। তাছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতি করেছেন, উপজেলা আওয়ামীগের একাধিক পদে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানেও করছেন। দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে আওয়ামীলীগে দু:সময় ও ওয়ান ইলাবেনে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা সাহসী এই মানুষটি একাধিক মিথ্যা মামলা ও হয়রানীর শিকার হয়েছেন। তাঁর দুরদর্শিতা ও কৌশল এবং সুদক্ষ নেতৃত্ব করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অঙ্গণে বয়ে এনেছে বিরাট সাফল্য।

যার কারণে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারকরা তাঁকে বেছে নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে গণসংযোগকালে মুক্তিযোদ্ধার কন্ঠকে তিনি বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসী। আর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেই আমি দীর্ঘদিন থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছি। আসন্ন নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন পেতে দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি ধারাবাহিক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। আমি মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উন্নয়ন, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমৃদ্ধশালী স্বপ্নের তিলোত্তমা উপজেলা হিসেবে করিমগঞ্জকে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।

একই সাথে ‘দলীয় মনোনয়ন’ পেলে উপজেলার উন্নয়ন নিয়ে সকল পরিকল্পনা নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি। তবে, দল থেকে তাকে মনোনয়ন না দিলে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে না গিয়ে তা মেনে নেবেন বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।


আরও পড়ুন

1 Comment

Comments are closed.