আশরাফের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করতে চান বোন লিপি

প্রয়াত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্বপ্ন পূরণে তাঁর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করতে চান ছোট বোন ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনে পুননির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেন।

এই আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি বলেন, ‘আমার ভাই সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্বচ্ছ, সুন্দর ও সৎ রাজনীতি করে গেছেন। আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি, ভাইয়ের আদর্শ অনুসরণ করে মানুষের জন্য কাজ করে যাব। চেষ্টা করবো আমার ভাই সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্বপ্নের সুন্দর ও সোনার কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলার।’

এসময় তাঁর নিজের জন্য এবং প্রয়াত ভাই সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জন্য সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

এর আগে বুধবার দুপুরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি কিশোরগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে কালেক্টরেটের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম মনোনয়নপত্রটি গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর দেশে না থেকেও অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর) আসন থেকে টানা পঞ্চম বারের মতো নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এরপর ১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) নির্বাচিতদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তবে ব্যাংককের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সৈয়দ আশরাফ উপস্থিত হতে না পারলেও শপথের জন্য সময় চেয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠান। কিন্তু ওই দিন রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তাঁর মৃত্যুর পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। যেহেতু তিনি শপথ গ্রহণ করতে পারেননি তাই এ নির্বাচনকে সাধারণ নির্বাচন হিসেবে গণ্য করে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের জন্য তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি।

ঘোষণা অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি, ৩ ফেব্রুয়ারি বাছাই আর ১০ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।


আরও পড়ুন

৩ Comments

  1. An fascinating discussion may be worth comment. I’m sure that you can write much more about this topic, it will not become a taboo subject but generally individuals are not enough to talk on such topics. An additional. Cheers

  2. I simply want to mention I am just beginner to blogging and site-building and really enjoyed your web-site. More than likely I’m planning to bookmark your blog . You certainly come with very good well written articles. Bless you for sharing with us your web site.

Comments are closed.