স্বাস্থ্য - February 1, 2019

শতভাগ নিরাময় হবে মরণব্যাধি ক্যানসার

মরণব্যাধি বলে যেসব রোগের নাম শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে তার মধ্যে অন্যতম হল ক্যানসার। গোটা বিশ্বে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত কিংবা প্রাণ হারাচ্ছেন। প্রতিরোধ করা গেলেও এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্যানসার শতভাগ নিরাময়ের পথ পেয়েছেন বলে দাবি করছেন ইসরায়েলের একদল বিজ্ঞানী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসারয়েলের একটি বায়োটেক কোম্পানি নাকি দাবি করছে, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ক্যানসার রোগের সম্পূর্ণ নিরাময়ের উপায় আবিষ্কার করতে পারবে তারা। বাজারে ক্যানসারের চিকিৎসার অনেক উপায় থাকলেও এই মরণব্যাধি থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভের কোনো চিকিৎসা এখন পর্যন্ত নেই।

২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাকসিলারেটেড ইভোলিউশন বায়োটেকনোলজিস লিমিটেড (এইবিআই) নামের ইসরায়েলের ওই বায়োটেক কোম্পানির চেয়ারম্যান সম্প্রতি এই তথ্য জানান। তিনি দাবি করছেন, তারা এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যার মাধ্যমে শতভাগ ক্যানসার নিরাময় সম্ভব।

ইসরায়েলের প্রথম সারির দৈনিক আরিদোরে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর পরই এই চিকিৎসা দেয়া শুরু করতে হবে। আর কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত চিকিৎসা দিলেই ক্যানসার শতভাগ নিরাময় সম্ভব। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না আর হলেও তা হবে অত্যন্ত কম।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তাদের উদ্ভাবিত নতুন পদ্ধতির নাম হবে মুটাটো বা মাল্টি-টার্গেট টক্সিন। আর এর চিকিৎসাটি হবে যে পদ্ধতিতে তার নাম সিম্পল অবজেক্ট অ্যাকসেস প্রোটোকল বা সোয়াপ। বাজারে প্রচলিত ক্যানসারের যে সমস্ত চিকিৎসা পদ্ধতি আছে তার চেয়ে কম খরচে এটি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অ্যাকসিলারেটেড ইভোলিউশন বায়োটেকনোলজিস লিমিটেড নামের ওই কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বলেন, বাজারে প্রচলিত ক্যানসার সংক্রান্ত ওষুধ ও চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কেন শতভাগ কাজ করছে না এটি চিহ্নিত করতে গিয়েই এ পদ্ধতির খোঁজ পেয়েছেন তারা।


আরও পড়ুন

1 Comment

  1. I just want to say I’m newbie to blogging and seriously savored your web site. Probably I’m want to bookmark your website . You definitely come with really good well written articles. Cheers for sharing with us your blog site.

Comments are closed.