বাজিতপুর - February 6, 2019

বাজিতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চলছে ৪ চিকিৎসক দিয়ে

মহিউদ্দিন লিটন, বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) থেকে : কিশোরগঞ্জে বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে ১২ ডাক্তারের পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৪জন। এর মধ্যে ৬ জনই প্রেষনে কর্মরত আছেন। মাত্র ৪ জন ডাক্তার দিয়ে চলছে এ অঞ্চলের ৩ লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্য সেবা। নদী ভাঙ্গন কবলিত ৩ টি ইউনিয়ন দরিদ্রতম মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জানা যায়, এই উপজেলার দেরশত বছরের পৌরসভার ও ১১ টি ইউনিয়নের ৩ লক্ষাধিক জনতা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্র যানায়, এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আওতাধীন ১১টি ইউনিয়নের ২৬টি কমিউনিটি কিনিক রয়েছে। সবগুলোতে সিএইচসিপি ও উপ-স্বাস্থ সহকারীরা রোগী দেখে সেবা দেন। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও চারজন ডাক্তার কর্মরত থাকলেও ৮ জন ডাক্তারের মধ্যে ডাক্তার পিনাকী পাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে, ডাক্তার জিনাত রেহানা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ডাক্তার মাইদুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ডাক্তার শারমিন বিনতে কুয়েত মৈত্রি হাসপাতালে, ডাক্তার মোঃ ফরহাদুর রেজা আকন্দ গাজীপুর ট্রেনিং সেন্টার, ডাক্তার নৌরুজ আফরিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটেশনে প্রায় ১ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন।

স্থায়ী পদ বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকলেও এই এলাকার জনগন ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে।

এছাড়া সেকমু স্বপ্না আক্তার টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে, কনিকা দেবী মির্জপুর টাঙ্গাইল ও সাহানাজ পারভীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রায় ১ বছর ধরে ডেপুটেশনে আছেন। প্রতিমাসে বাজিতপুর থেকে কর্মরত না থেকে বেতন নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানাগেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১টি এম্বোলেন্স রয়েছে। সেটাও আবার লক্কর ঝক্কর। ডাক্তার সংকটের কারনে পূর্নাঙ্গ অপারেশন থিয়েটারটির কাজ মাঝে মধ্যে চলে। বিদ্যুৎ লো ভোল্টেজের কারনে এক্সরে মেশিনটি গত ৫ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। রোগীদের খাবারের মান খুব একটা ভাল নয় বলে রোগীদের অভিযোগ। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে গরীব রোগীরা বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা নেয়। কিন্তু ডাক্তার সংকটের কারনে মাঝে মধ্যে গরীব রোগীদের সেবাটি সংকমিত হয়।

বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাক্তার মিজানুর রহমান জানান, ৬ জন চিকিৎসক ও ৩ জন সেকমো অন্য প্রতিষ্ঠানে প্রেষনে নিয়োজিত আছেন। হাসপাতালের সেবার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসক ও সেকমোদের প্রেষনাদেশ বাতিল করার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।


আরও পড়ুন

1 Comment

  1. I simply want to say I am very new to blogging and definitely savored you’re website. Most likely I’m likely to bookmark your site . You really have really good article content. Regards for sharing your blog site.

Comments are closed.